দিনের শুরু থেকে শেষ-জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নানা ব্যস্ততায় কেটে যায়। কর্মব্যস্ততা, পরিবার, পড়াশোনা কিংবা ব্যক্তিগত নানা দায়িত্বের ভিড়ে অনেক সময় নিজের আত্মিক প্রশান্তির কথাই ভুলে যাই। অথচ একজন মুমিনের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন সব ব্যস্ততা পাশে রেখে মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ আসে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তেমনই এক অনন্য ইবাদত।
ইসলাম
সৌদি বাদশাহ সালমানের বিশেষ ওমরা ও জিয়ারত কর্মসূচির চতুর্থ ও শেষ দলের অতিথিরা মদিনায় পৌঁছেছেন। বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের ২৫০ জন নারী-পুরুষ ওমরাযাত্রী
ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের পরিচয় শুধু তাঁদের বীরত্ব দিয়ে নয়, সততা, বিশ্বস্ততা ও দায়িত্ববোধ দিয়েও স্মরণ করা হয়।
জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহূর্তে বেশি বেশি পড়ুন এ দোয়াটি:
اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
জুমার দিনটি সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় একটি দিন। এই দিনে এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যে সময়ে বান্দা আল্লাহর কাছে যা প্রার্থনা করে, মহান রব তা-ই কবুল করেন।
ঘুমের আগের সময়টুকু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনের কর্মব্যস্ততা ও প্রতিকূলতা অনেক সময় হৃদয়কে উদাসীন ও আল্লাহবিমুখ করে তোলে। তাই ঘুমানোর আগের এ সময়টুকু হৃদয়কে আল্লাহমুখী করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। আর দিনের শেষ মুহূর্তগুলো যদি আল্লাহর স্মরণ, দোয়া, জিকির ও তিলাওয়াতে কাটে, তাহলে ঘুমের মধ্যেও একজন মুমিনের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে সিক্ত থাকে এবং সর্বপ্রকার ক্ষতি ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকে। নবী করিম (সা.) এ সময়ে সবচেয়ে বেশি আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত করতেন।
দিনের শুরু থেকে শেষ-জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নানা ব্যস্ততায় কেটে যায়। কর্মব্যস্ততা, পরিবার, পড়াশোনা কিংবা ব্যক্তিগত নানা দায়িত্বের ভিড়ে অনেক সময় নিজের আত্মিক প্রশান্তির কথাই ভুলে যাই। অথচ একজন মুমিনের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন সব ব্যস্ততা পাশে রেখে মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ আসে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তেমনই এক অনন্য ইবাদত।
আমাদের সমাজে দেখা যায়, মানুষকে তার বাহ্যিক চাকচিক্য, পোশাক-পরিচ্ছদ, ধন-সম্পদ বা পদ-পদবি দিয়ে বিচার করা হয়।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
মানুষ ফেরেশতা নয়। জীবনের পথ চলতে গিয়ে তার দ্বারা ভুল-ত্রুটি ও গুনাহ হয়ে যেতে পারে। কখনো প্রবৃত্তির তাড়নায়, কখনো অসতর্কতায়, আবার কখনো শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ এমন কাজে জড়িয়ে পড়ে, যা তার রব পছন্দ করেন না।
দাম্পত্য জীবন হলো স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের সম্পর্ক। এর উদ্দেশ্য দুনিয়া ও আখিরাতে প্রশান্তি ও সুখ অর্জন করা। এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয়েরই পরস্পরের প্রতি অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে।
মানুষ জ্ঞান অর্জন করে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বোঝার জন্য, সঠিক ও ভুলের পথ চিনে নেওয়ার জন্য। কিন্তু জ্ঞান যদি মানুষের আচরণে, চরিত্রে ও জীবনে প্রতিফলিত না হয়, তাহলে সেই জ্ঞান তার জন্য কতটা কল্যাণ বয়ে আনল—এ প্রশ্ন থেকেই যায়।
উহুদের ময়দান। চারদিকে তখন প্রচণ্ড যুদ্ধ চলছে। একপর্যায়ে মুসলিম বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। শত্রুর আক্রমণে রাসুলুল্লাহ (স.)-ও গুরুতর আহত হন। এই কঠিন মুহূর্তে যাঁরা নবীজি (স.)-এর চারপাশে অটলভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, হজরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.) ছিলেন তাঁদের অন্যতম।
পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে আনার কাজই দাওয়াতে তাবলিগের কাজ। এ কাজ কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়।
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সত্যবাদী ও যার কথা সত্যায়িত করা হয়, সেই রাসুলুল্লাহ (সা.) বর্ণনা করেছেন, তোমাদের যেকেউ তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন যাবৎ বীর্য আকারে অবস্থান করতে থাকে। তারপর তা চল্লিশ দিন পরে জমাটবদ্ধ রক্ত-টুকরোতে পরিণত হয়।
নামাজে দাঁড়িয়ে আছেন। মনোযোগ দিয়ে কিরাত পড়ছেন। হঠাৎ চোখে পড়ল সামনে একটি সাপ! মুহূর্তেই ভয় পেয়ে যেতে পারেন। নামাজ ভেঙে ফেলবেন, নাকি নামাজ চালিয়ে যাবেন? সাপটি যদি আপনার দিকে এগিয়ে আসে, তখন কী করবেন? ইসলাম এ পরিস্থিতিরও দিকনির্দেশনা দিয়েছে।