মসজিদ আল্লাহ তাআলার ঘর। এতে তাঁর জিকির ও ইবাদত হয়। তাঁর বড়ত্ব ও মহিমার বর্ণনা হয়। তাঁর তাওহিদ ও রুবুবিয়াতের আলোচনা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,... ‘সেসব গৃহে, যাকে মর্যাদা দিতে এবং যাতে তাঁর নাম স্মরণ করতে আল্লাহ আদেশ করেছেন। তাতে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর তাসবিহ করে সেসব লোক, যাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বেচাকেনা আল্লাহর স্মরণ থেকে এবং নামাজ কায়েম ও জাকাত আদায় থেকে গাফেল করে না...।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ৩৬
- ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে : ট্রাম্প
- * * * *
- চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ আটক
- * * * *
- চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
- * * * *
- প্রথমবার অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সূর্যবংশী
- * * * *
- মাঠে আঙুল ফুটিয়ে নিষিদ্ধ হলেন ইংলিশ ক্রিকেটার
- * * * *
ইসলাম
মানবদেহের ক্ষুদ্র অঙ্গগুলোর একটি জিহ্বা, অথচ এর প্রভাব সবচেয়ে বিস্তৃত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি শক্তিশালী অস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে ওঠে।আল্লাহ প্রদত্ত এই নিয়ামত সঠিক ব্যবহারে জান্নাতের সোপান হয়, আবার অসতর্ক ব্যবহারে হয় জাহান্নামের কারণ। তাই ইসলাম জবানের হেফাজতকে ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেছে।
খাবার মানুষের স্বাভাবিক চাহিদার একটি অংশ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, কাজের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী মানুষের খাবারের পরিমাণও ভিন্ন হতে পারে। তাই কেউ তুলনামূলক বেশি খেলেই তাকে গুনাহগার বা শয়তানের প্রভাবে আক্রান্ত বলা ঠিক নয়।
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ ইবাদত পালন করা আবশ্যক। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। ফরজের হিসাব দিলেই তবে আল্লাহ তায়ালা অন্য ইবাদতের হিসাব গ্রহণ করবেন। ফরজের পাশাপাশি নফল ইবাদত করাও জরুরি।
জীবনে অনেক সময় মানুষের উপকার করার সুযোগ আসে। সামর্থ্যও থাকে। কিন্তু সেই উপকার করতে গেলে নিজের ক্ষতি হতে পারে, নিজের বা পরিবারের জরুরি প্রয়োজন ব্যাহত হতে পারে, কিংবা পরিস্থিতি বিবেচনায় এগিয়ে না যাওয়াই ভালো মনে হতে পারে।
অজুর ক্ষেত্রে অজুর অঙ্গগুলোতে পরিপূর্ণভাবে পানি পৌঁছানো বা ভেজানো আবশ্যক। অজুর মূল অঙ্গ ৪টি : চেহারা, হাত, পা, মাথা। মাথা মাসেহ করা ফরজ। আর বাকি তিন অঙ্গ ধোয়া ফরজ।
মানুষের জীবনে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার হিসাব যেন কখনো শেষ হয় না। যা আছে, তার চেয়ে যা নেই অনেক সময় সেটিই আমাদের বেশি ভাবায়। জীবিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে মানুষ ভুলে যায় জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। সম্পদ, সাফল্য ও ভোগের আকাঙ্ক্ষা কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, মহান আল্লাহর অগণিত নেয়ামতের কথাই মানুষ ভুলে বসে।
সালাত বা নামাজ ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয়। এটি অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে ৮২ বার নামাজের কথা এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তোমরা সালাত (নামাজ) পূর্ণ করবে তখন দাঁড়ানো, বসা ও শোয়া অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে। অতঃপর যখন নিশ্চিন্ত হবে, তখন সালাত (পূর্বের নিয়মে) কায়েম করবে। নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ। (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)।
অজু মানে হলো পবিত্রতা অর্জন। নামাজ পড়ার জন্য অজু আবশ্যক। অজু ছাড়া নামাজ হয় না। কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু শর্ত। অজুর মাধ্যমে আল্লাহ
রসুলুল্লাহ (স.)-ও ছোটদের কোলে নিয়ে বিভিন্ন দোয়া পড়ে ফুঁ দিতেন। হাদিস গ্রন্থসমূহে এমন অনেক দোয়া বর্ণিত হয়েছে।
মানবতা নির্মাণ ও জ্ঞান-গবেষণার উন্নয়নে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষকই জাতি গঠনের মূল কারিগর। শিশুদের চরিত্র গঠন, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং তাদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
মানুষের জীবনে সম্পদের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। অর্থের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়, জীবনযাত্রা সহজ হয় এবং সমাজে নানা কল্যাণমূলক কাজ করা সম্ভব হয়। কিন্তু একটি প্রশ্ন যুগে যুগে মানুষকে ভাবিয়েছে—অঢেল সম্পদ কি সত্যিই মানুষের হৃদয়ে শান্তি ও প্রকৃত সুখ এনে দিতে পারে?
আমল বলতে আমরা সাধারণত নামাজ, রোজা, জিকির ও দান-সদকাকে বুঝি। কিন্তু হাদিসে অন্যকে নিজের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ রাখাকে মুসলিমের পরিচয়ের বৈশিষ্ট্য এবং সদকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কারও ভুল দেখে হাসা বা ঠাট্টা করা সমাজে খুব সাধারণ বিষয়। কিন্তু কোরআন ও হাদিসে অন্যকে উপহাস করা, তুচ্ছ করা এবং তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার দিন। আল্লাহ তাআলা এই দিনকে অন্য দিনের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।