মানুষের ব্যক্তিত্ব, ঈমান ও চরিত্রের অন্যতম পরিচয় প্রকাশ পায় তার কথাবার্তায়। একটি সুন্দর কথা যেমন মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি সৃষ্টি করতে পারে, তেমনি একটি অনর্থক কথা অযথা সময় নষ্ট করার পাশাপাশি মানুষের সম্মানহানি, সম্পর্কের অবনতি এমনকি গুনাহের কারণও হতে পারে।
ইসলাম
মানুষ ভালোবাসা দিয়ে বাঁচে। একটি আন্তরিক কথা, মমতাভরা দৃষ্টি, স্নেহের স্পর্শ কিংবা ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’—এই ছোট্ট বাক্যটি কখনো কখনো একজন মানুষের হৃদয়ে এমন আনন্দ সৃষ্টি করতে পারে, যা কোনো মূল্যবান উপহারও দিতে পারে না।
আজ সৌদি আরবে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খৃষ্টাব্দ মোতাবেক ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ১৪৪৮ হিজরির রবিউস সানি মাসের দ্বিতীয় জুমা আজ।
দৈনন্দিন জীবনে যেসব বিষয় আমাদের আমলনামা ও আত্মিক প্রশান্তি ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো অতিরিক্ত ও অনর্থক কথাবার্তা।
সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমাবার হলো উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য সাপ্তাহিক ঈদ ও অফুরন্ত বরকতের দিন। কুরআন ও হাদিসে এ দিনের অপরিসীম ফজিলত ও মর্যাদার কথা বর্ণিত হয়েছে।
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনে বিভিন্ন নফল আমলের পাশাপাশি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার প্রতি হাদিসে বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
বান্দা যখন দু্ই হাত তুলে দোয়া করে তখন মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। ইকরামা (রহ.) বলেন, আয়েশা (রা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি রাসুল (সা.) হাত তুলে দোয়া করতে দেখেছেন।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
ইবাদত মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য নয়; ইবাদত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। কিন্তু মানুষের অন্তর বড়ই বিচিত্র—কখনো এমনও হয়, আল্লাহর জন্য শুরু করা একটি আমলের মধ্যে ধীরে ধীরে মানুষের প্রশংসার আকাঙ্ক্ষা ঢুকে পড়ে।
ইসলাম বিবাহকে একটি পবিত্র ও স্থায়ী বন্ধন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা, দায়িত্ব, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়াই ইসলামের কাম্য। একইভাবে তালাকের ক্ষেত্রেও ইসলাম এমন বিধান দিয়েছে, যাতে আবেগের বশবর্তী হয়ে দাম্পত্য সম্পর্ককে খেলায় পরিণত করা না হয়।
মানুষ সাধারণত সম্পদ অর্জনের পর তা ধরে রাখার চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। সম্পদ বাড়লে স্বস্তির বদলে অনেক সময় হারানোর ভয় বাড়ে।কিন্তু সাহাবায়ে কেরামের জীবনে সম্পদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁরা সম্পদকে জীবনের লক্ষ্য মনে করতেন না; বরং আল্লাহর দেওয়া আমানত মনে করতেন।
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ১৪৪৮ হিজরী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বুধবার বাদ যোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা ওদোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এক প্রশ্নকারী জানতে চান, স্ত্রীর কথা হলো, তিনি শ্বশুর-শাশুড়িকে রান্না করে খাওয়াবেন না। অন্যদিকে স্বামীর কথা হলো, ‘আমার মা-বাবাকে খাওয়াতে হবে।’
রিজিকের সন্ধানে মানুষ কত পথেই না ছুটে বেড়ায়! কেউ ব্যবসা বাড়াতে চায়, কেউ চাকরির চেষ্টা করে, কেউ নতুন কোনো আয়ের পথ খোঁজে।
সুরা বাকারার ৬ ও ৭ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয় যারা কুফরি করেছে, তুমি তাদেরকে সতর্ক কর বা না কর, সবই তাদের জন্য সমান, তারা ইমান আনবে না। আল্লাহ তাদের অন্তরে এবং তাদের কানে মোহর লাগিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের চোখসমূহে রয়েছে পর্দা। আর তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ানক আজাব।
মদিনা মুনাওয়ারায় ফুকাহায়ে সাবআর ‘আল-মজলিসুল ফিকহি’ মসজিদে নববিতেই অনুষ্ঠিত হতো। এ মজলিসের সব সদস্য কাতিবে ওহি হজরত জায়েদ ইবনু সাবিত (রা.)-এর ছাত্র ছিলেন।