আজ শনিবার,২২ জুলাই ২০২৩ (৭ শ্রবণ, ১৪৩০ বাংলা, ৩ মহররম ১৪৪৫ হিজরি)সন।
ইসলাম
আরবি বর্ষের প্রথম মাস মহররম। এ মাসের অন্যতম একটি ফজিলতপূর্ণ দিবস হলো আশুরা। মুসলিমসমাজে মহররম এবং এ আশুরাকেন্দ্রিক নানা ভ্রান্তি ও রসম রেওয়াজ প্রচলন আছে, যা পরিহারযোগ্য। নিম্নে এই মাসের করণীয় ও বর্জনীয় তুলে ধরা হলো—
আজ বৃহস্পতিবার,২০ জুলাই ২০২৩ (৫ শ্রবণ, ১৪৩০ বাংলা, ১ মহররম ১৪৪৫ হিজরি) সন।
মহররম চান্দ্রবছরের প্রথম মাস, সম্মানিত চার মাসের তৃতীয়। ইসলামের ইতিহাসে মহররম অত্যন্ত ফজিলতময় মাস। এ মাসের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়।
মহান আল্লাহ বিভিন্ন বাহানায় তাঁর বান্দাকে ক্ষমা করতে চান। তিনি ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন। বান্দাকে শুধু সেই ক্ষমা পাওয়ার জন্য কোরআন-হাদিসের নির্দেশিত পথে নিজেকে পরিচালিত করতে হবে।
আজ বুধবার, ১৯ জুলাই ২০২৩ (৪ শ্রবণ, ১৪৩০ বাংলা, ৩০ জিলহজ ১৪৪৪ হিজরি)সন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মুসলমানরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন।
আগে হজের সময় অর্থাৎ আরাফাতের ময়দানে হাজিদের সমবেত হওয়ার দিন কাবার গিলাফ পরিবর্তন করা হতো। কিন্তু গত বছর হজের সময় ঐতিহ্য অনুযায়ী ৯ জিলহজ তারিখে গিলাফ পরিবর্তন করা হয়নি।
দেশের আকাশে হিজরি ১৪৪৫ সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসেবে আগামী ২৯ জুলাই (১০ মহররম) শনিবার পবিত্র আশুরা পালিত হবে।
আজ মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩ (৩ শ্রবণ, ১৪৩০ বাংলা, ২৯ জিলহজ ১৪৪৪হিজরি) সন।
১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণে আজ মঙ্গলবার (১৮ জুলািই) সভায় বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
পবিত্র হজ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশে ফিরছেন হাজিরা। এবার প্রথমবারের মতো হজ করে ফিরেছেন জাপানি নারী আলমান চাজি। সম্প্রতি মুসলমান হয়েছেন তিনি। আর ইসলামে দীক্ষিত হয়েই হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যান তিনি।
নতুন রূপে সেজেছে প্রাচীন স্থাপত্য নকশা ও আরবি হরফ মুদ্রিত ছয় ফুট দৈর্ঘ্যের এক গম্বুজ মসজিদটি। স্থাপত্যটিকে ঘিরে শুরু থেকেই মানুষের আগ্রহের শেষ নেই।
১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মুসলমানরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন।
কেননা, হাদীসে এসেছে,“নামাজ বেহেশতের চাবি”।
মানুষের জ্ঞান সীমাবদ্ধ। এই সীমাবদ্ধ জ্ঞান সব বিষয়ে মানুষকে নির্ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত করতে পারে না। তা মানুষকে যেমন সঠিক পথে পরিচালিত করে আবার ভুল পথেও পরিচালিত করে।