সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আজকের বিজ্ঞানের গবেষণা-এষণায় বিমূর্ত হচ্ছে রাসুল (সা.)-এর খাবারগুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা।
ইসলাম
যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আজ রোববার রাতে সারা দেশে পবিত্র শবেবরাত পালিত হয়েছে।
মুফতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের সব কিছুই ধ্বংসশীল, একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া। (সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা বিধিবদ্ধ।
সারা বিশ্বে এক শ’ কোটির বেশি মুসলমানের জীবনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে আল-কুরআন। এই প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : মানবাধিকার সম্পর্কে কুরআন কিছু বলে থাকলে, সেটা কী?
মনস্তাত্ত্বিক জরিপ মোতাবেক বর্তমান যুগে মানুষের একটা বড় অংশই কোনো না কোনো ধরনের বিষন্নতায় আক্রান্ত এমনকি ছোট ছোট শিশুরাও। তাই আদর্শ মুসলমান হওয়ার সাথে এর সম্পর্ক নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা গুরুত্বপূর্ণ বৈকি।
প্রতিবেশীরা সদাচরণ ও সহৃদয় ব্যবহার পাওয়ার অধিকার রাখেন। এ কথাটা সুপ্রতিষ্ঠিত। সব ধর্মই এ বিষয়ে উৎসাহ দিয়ে থাকে। আর এটা বিশ্বের সব সমাজে স্বীকৃত। সম্ভবত অত্যধিক বস্তুবাদী ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী কিছু সমাজ এ দিক দিয়ে ব্যতিক্রম।