একটি মহৎ গুণ আছে, যা অর্জন করা অনেক কঠিন; কিন্তু তার ফল অনেক মিষ্টি। বলা যায় সফলতার মূল চাবিগুলোর একটি সেটি। তা হলো ধৈর্য। ধৈর্য মুমিনের ভূষণ। উত্তম চরিত্রের বিশেষ গুণ। যাদের আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা আছে, তারা কোনো পরিস্থিতিতে বিচলিত হন না; বরং আল্লাহর ওপর ভরসা করে পরিস্থিতি বুঝে তা মোকাবেলা করেন।
- নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
- * * * *
- প্রসেনজিতের ঠোঁটে কামড় তরুণের, রক্তাক্ত হন অভিনেতা
- * * * *
- নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ি ছাড়ছেন সালমান! নতুন ঠিকানা কোথায় অভিনেতার?
- * * * *
- আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ৪৪তম এজিএম অনুষ্ঠিত
- * * * *
- ড্রেসিংরুমে ফের রহস্যময় চিঠি রেখে গেল ইরান, কী লেখা ছিল তাতে?
- * * * *
ইসলাম
দুঃখ-কষ্ট, বিপদাপদ, পাওয়া না-পাওয়া, সফলতা-ব্যর্থতা নিয়েই জীবন। প্রকৃত সুখ ও সফলতার জায়গা দুনিয়া নয়, প্রকৃত সুখ ও সফলতার জায়গা হলো জান্নাত। যারা মহান আল্লাহর ওপর ঈমান আনে এবং সব ধরনের পরিস্থিতিতে তাঁর ওপর অগাধ বিশ্বাস রাখে, দুঃখ-কষ্ট, রোগ-ব্যাধি কিংবা শত্রুর অনিষ্ট—কিছুই তাদের ব্যর্থ করতে পারে না।
সুখ-দুঃখ ও আনন্দ-বেদনা নিয়েই আমাদের এ করপোরেট জীবন। আল্লাহ তায়ালা কাউকে সারা জীবনের জন্য সুখী বা দুঃখী করে দেননি। তিনি মাঝে মধ্যে সুখ দিয়ে পরীক্ষা করেন আমরা তাঁকে ভুলে যাই কি না এবং দুঃখ দিয়ে পরীক্ষা করেন আমরা তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হই কি না।
গোটা বিশ্বে ইসলামী অর্থনীতির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। অমুসলিমদের মধ্যেও এটা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখানে ইসলামী অর্থনীতির পরিচয় ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হল-
বিশ্বনবী সা: বিদায় হজের ভাষণে মুমিনদের জন্য সর্বশেষ নসিহত হিসেবে ঘোষণা করেন- ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ তোমরা এই দু’টিকে আঁকড়ে ধরে রাখবে ততক্ষণ তোমরা কেউ পথভ্রষ্ট হবে না।
মানুষ ভালো-মন্দে পরিচালিত হয় অন্তরের মাধ্যমে। যার অন্তর যত বেশি শুদ্ধ ও সুস্থ, তার চালচলন, আমল-আখলাক তত বেশি উন্নত। মানুষ অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাপারে স্বাস্থ্যসচেতন থাকলেও অদৃশ্যমান এই অঙ্গের সুস্থতা ও শুদ্ধতার বিষয়ে খুব উদাসীন থাকে।
সমগ্র মুসলিম উম্মাহদের জন্য সপ্তাহের সেরা দিন শুক্রবার তথা জুম্মার দিন। এই দিনে মহান আল্লাহ তায়ালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন। এই দিনেই হজরত আদম (আ.) ও বিবি হাওয়া (আ.)-কে জান্নাতে একত্র করেছিলেন।
একচিলতে শান্তির জন্য সবাই অস্থির। ঈমানদার তিন উপায়ে প্রশান্তি অনুভব করতে পারে।
ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ নামাজ। নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য গ্রহণ করা সম্ভব। এই ইবাদত আল্লাহর সঙ্গে কথা বলার অনন্য একটি মাধ্যম। আল্লাহতায়ালা আমাদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন।
পৃথিবী যতই এগিয়ে যাচ্ছে নানা রকম ফিতনা ততই দৃশ্যমান হচ্ছে। সামাজিক অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের সব সরঞ্জাম হাতের মুঠে থাকায় চারিত্রিক অবক্ষয়ও একদম তলানিতে।
বিভিন্ন কারণে মানুষ অসুস্থ হতেই পারে। আমাদের আত্মীয়স্বজন এবং পাড়াপ্রতিবেশী অসুস্থ হলে তাদের জন্য আমাদের কিছু করণীয় রয়েছে। অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া, তার সেবা শুশ্রুষা করা এবং তার জন্য উপযুক্ত খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যাওয়া ও তার খোঁজ খবর নেয়া ইসলামি শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত।
মানুষ দুনিয়ায় সফল হওয়ার জন্য কত কষ্ট সহ্য করে! কেউ কেউ সফল হয়। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ হতাশ হয়। একটু সুখের আশায় মরীচিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ নিজেদের জীবন জাহান্নামে পরিণত করে। অথচ প্রকৃত সফলতা আখিরাতের সফলতা। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আর অবশ্যই যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য আখিরাতের আবাস উত্তম। তবু কি তোমরা বুঝো না?’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত : ১০৯)
বর্তমান এই করোনার মহামারীতে যারপরনাই আমরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। কেউ বাবা হারিয়েছেন, কেউ মাকে চিরদিনের মতো বিদায় দিয়েছেন, কেউ কলিজার টুকরো সন্তানকে কবরে রেখে এসেছেন। কেউ প্রিয়তম স্বামীহারা হয়ে অঝোরে কাঁদছেন।
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ায় এসেছিলেন মিথ্যা থেকে মানুষকে দূরে রাখতে। যারা সত্যের পথের অনুসারী তাদের আখিরাতের জীবনে কীভাবে পুরস্কৃত করা হবে তার বার্তাবাহক হিসেবে।
আল্লাহ পৃথিবীতে অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর কতককে কতকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। মর্যাদার আসনে সমাসীন করেছেন। মর্যাদাপ্রাপ্ত অনন্য একটি সৃষ্টি হচ্ছে বনি আদম তথা মানুষ।