দুনিয়ার সব কাজের প্রভাব আছে। গুনাহর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। গুনাহর দরুন মানুষ ইহকাল ও পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুনাহর ইহকালীন অন্যতম ক্ষতি হলো এটি জীবনের বরকত কমিয়ে দেয়। আরো স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, গুনাহর ফলে আয়ু কমে।
ইসলাম
সুসন্তান মা-বাবার জন্য সদকায়ে জারিয়া। বহু নেককার মানুষ আছে, যাদের মৃত্যুর পর আমলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু যে মা-বাবা নেককার-পরহেজগার সন্তান রেখে কবরে যান, মৃত্যুর পর তাঁর নেকি অর্জনের পথ বন্ধ হয় না।
বিভিন্নভাবে শয়তান আদম সন্তানদের প্ররোচনা দেয়। ইবলিশ এ ঘোষণা আল্লাহর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরই দিয়েছে। মানুষকে ভুল পথে যাওয়ার এই প্ররোচনা বা ফাঁদ তৈরি নানাভাবে করতে দেখা যায় শয়তানকে।
রাসুল (সা.) নাতিদের ভালোবাসতেন। তাদের দ্বিন শিক্ষা দিতেন। আমল শেখাতেন। মসজিদে নিয়ে যেতেন। ইসলামের প্রতি পূর্ণাঙ্গ আনুগত্যশীল হওয়ার পাঠ দিতেন। জান্নাতি জীবনের সন্ধান দিতেন।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে সাত দিনের কঠোর লকডাউন। এ সময়ে মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ৯ দফা নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
‘লানত’ বা অভিশাপ বলা হয় আল্লাহর রহমত ও করুণা থেকে দূরে সরে পড়াকে। কারো ওপর আল্লাহর অভিশাপ পতিত হলে সে কখনো আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারে না।
মহান আল্লাহ পৃথিবীতে মানুষের জন্য অফুরন্ত নিয়ামতের ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিনিয়ত আমরা তার নিয়ামত দ্বারা উপকৃত হই। এই নিয়ামতের সুবিধা ভোগের বিপরীতে বান্দার কর্তব্য হলো আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা।
পৃথিবীতে পানির অন্যতম উৎস হলো বৃষ্টি। বৃষ্টির মাধ্যমেই মহান আল্লাহ পৃথিবীতে পানি দিয়ে থাকেন। পানি থেকে উৎপাদিত নানা ফল-ফসল প্রাণিদের বেঁচে থাকতে সহায়তা করে।
ক্ষমা মহৎ গুণ। এর বিপরীতে প্রতিশোধপরায়ণতা একটি মানবীয় দুর্বলতা। এটি মানুষের জীবনে কল্যাণ বয়ে আনে না। কারো ওপর প্রতিশোধ নেওয়া বা কাউকে ঘায়েল বা পরাভূত করতে পারাটাই বীর হওয়ার লক্ষণ নয়, বীর হলো ওই ব্যক্তি, যে নিজেকে ক্রোধের সময় সংবরণ করতে পারে।
পৃথিবীতে মা-বাবার পর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ভাই-বোনের। একসঙ্গে থাকা, স্কুল-মক্তবে আসা-যাওয়া, গল্প-আড্ডা, বেড়াতে যাওয়া ও মান অভিমানসহ পরিবারের সুখ-দুঃখের চিরসঙ্গী থাকে এই ভাই-বোনেরা।
জীবন চলার পথে নানা রকম দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি আসে। সহ্য করতে হয় অসম্ভম যাতনা। এটাই দুনিয়ার অমোঘ সত্য বিধান। আর এর প্রভাব প্রাত্যহিক জীবনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তা, অসহায়ত্ববোধের কারণে মূল্যহীন হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েই চলছে।
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি দাজ্জালের আগমনের সংবাদ শুনে, সে যেন তার নিকট থেকে দূরে সরে থাকে। আল্লাহর শপথ! কোন ব্যক্তি নিজেকে মুমিন ধারণা করে তার কাছে যাবে, কিন্তু তার তেলেসমাতি কর্মকাণ্ডের ধোঁকায় পড়ে সে তার অনুকরণ করে ফেলবে।
আরবি ১২ মাসের মধ্যে একাদশ মাসটি হলো জিলকদ। যার আরবি নাম ‘জুল-আল-কাআদাহ’। ফারসিতে বলা হয় ‘জিলকাআদা’, উর্দুতে ‘জিলকাআদ’ বাংলায় ‘জিলকদ’। ‘জুলকাআদাহ’ শব্দের অর্থ হলো বসা, স্থির হওয়া বা বিশ্রাম নেয়া।
খেয়ালখুশির অনুসরণকারী সমাজ, সামাজিকতা, যুক্তি ও ধর্মীয় বিধানের তোয়াক্কা করে না। মন যা চায়, তা-ই করতে থাকা খেয়ালখুশির অনুসরণের নামান্তর। খেয়ালখুশির অনুসরণে ইহকালীন ও পরকালীন বহুবিধ ক্ষতি আছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘কোনো প্রকার অধিকার ছাড়াই যারা পৃথিবীতে অহঙ্কার করে বেড়ায়, শিগগিরই আমার নিদর্শনসমূহ থেকে আমি তাদের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেবো। তারা আমার কোনো নিদর্শন দেখলেও তার প্রতি ঈমান আনবে না।
মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান হলো পরিবেশ। মানুষসহ সব প্রাণীর জন্য সুস্থ পরিবেশ আবশ্যক। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সবই কোনো না কোনো পরিবেশের ওপর নির্ভর করে।