ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড়িকান্দিতে বালু উত্তোলন রোধে হাইকোর্টের রুল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড়িকান্দিতে বালু উত্তোলন রোধে হাইকোর্টের রুল

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের জাফরাবাদ ও নতুনচর বালু মহাল থেকে নিয়মের বাইরে বালু উত্তোলন রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

স্থানীয় এক বাসিন্দা করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ বুধবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ডিসিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আদালত দুই সপ্তাহের ‍রুল জারি করেছেন।  

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জমা দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া। কিন্তু তাতে সাড়া না পাওয়ায় এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তিনি।

গত ১ এপ্রিল 'শর্ত ভেঙে বালু উত্তোলনে ভাঙছে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে তীরের মানুষ' শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মেঘনা নদীতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে অবাধে বালু উত্তোলন। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধ। ইজারার শর্ত অনুযায়ী ২০টি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার কথা থাকলেও সেখানে প্রায় শতাধিক ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে করে বেড়িবাঁধের ৫০ ফুট এলাকা জুড়ে হঠাৎ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর মানুষজন।