চার ফিফটিতে উইন্ডিজদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি টাইগারদের
সংগৃহীত
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা ১১ জয়ের রেকর্ড নিয়ে রঙিন পোশাকের সিরিজ শুরু করে বাংলাদেশ। তবে টানা দুই ম্যাচ হেরে নিজেদের প্রিয় ফরম্যাট ওয়ানডেতে সিরিজ খুয়িয়েছে টাইগাররা। তৈরি হয়েছে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা। মান বাঁচানোর ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে মিরাজ-সৌম্যের অর্ধশতকের পর রিয়াদও জাকেরর চোখ জুড়ানো ফিফটিতে ৫ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের ৩২১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
সেন্ট কিটসের বাসেটেরের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক শাই হোপ। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় ৯ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় সফরকারীরা। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস। এই নিয়ে টানা তিম ম্যাচেই ব্যর্থ হলেন লিটন।
আবারও শঙ্কা জাগে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ার। তবে ক্রিজে আসা মেহেদী মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন সৌম্য। দেখেশুনে খেলে রানের চাকা সচল রাখেন এই দুই ব্যাটার। ৫৬ বলে মিরাজ ও ৫৮ বলে ফিফটি তুলে নেন সৌম্য। তৃতীয় উইকেটে তারা গড়েছেন ১৩৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। গুডাকেশ মোতির বলে লেগ বিফোরে কাটা পরার আগে সৌম্য ৭৩ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রানের সুন্দর ইনিংস উপহার দেন।
সৌম্য আউটের পর উইকেটে বেশিক্ষন টিকতে পারেননি। দলীয় ১৭১ রানের মাথায় রান আউট হয়ে ফিরলেন সাজঘরে। আউট হওয়ার আগে খেলেন ৭৩ বলে ৭৭ রানের দারুণ ইনিংস। তাতে একই সিরিজে টানা দুইবার সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া করলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ওয়ানডের পর তৃতীয় ওয়ানডেতেও দারুণ ছন্দে ছিলেন মিরাজ, তবে ভাগ্য সহায় হয়নি।
এরপর দ্রুতই বিদায় নেন আফিফও। সাজঘরে যাওয়ার আগে ১৫ রান করেন তিনি। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। সেখান থেকে জাকের-মাহমুদউল্লাহ জুটি চাপ সামলে ফের বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে ব্যাট করে। মারকুটে ব্যাটিংয়ে নিজেদের অর্ধশতক তুলে নেন রিয়াদ ও জাকের।
এই দুইজনের ১৫০ রানের জুটিতে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩২১ রানের সংগ্রহ পায় টাইগাররা। উইন্ডিজদের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন আলজেরি জোসেফ।