পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

ফাইল ছবি

ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং সাড়ে ৮টায় আরিচা-কাজিরহাট ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, ভোরে নদীতে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে গেলে চ্যানেলের মার্কিং পয়েন্ট অস্পষ্ট হয়ে যায়। পরে সকাল ৫টা ২০ মিনিট থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আরিচা-কাজিরহাট এবং সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

এসময় রো-রো ফেরি খানজাহান আলী যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে মাঝ নদীতে নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয়। তিনটি ফেরি চিত্রা, হামিদুর রহমান ও ধানসিড়ি আরিচা ঘাটে এবং দুইটি ফেরি শাহ আলী ও কিষাণী কাজিরহাট ঘাটে পন্টুনে লোড-আনলোডের অপেক্ষায় থাকে।   

অপরদিকে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে দু’টি ফেরি হাসনাহেনা ও কেরামত আলী যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে পদ্মা নদীর মাঝে নোঙর করে থাকে। এছাড়া সাতটি ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, বিএস ডা. গোলাম মাওলা,বনলতা, শাহ পরান, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, কুমিল্লা এবং বাগাইর লোড-আনলোডের অপেক্ষায় পাটুরিয়া ঘাটে এবং দুইটি ফেরি ফরিদপুর ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পাটুরিয়া ঘাটে পন্টুনের সাথে বেঁধে রাখা হয়।  

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অফিস সুত্রে জানা গেছে, রাতে কুয়াশা তীব্রতা কম ছিল। রবিবার সকালের দিকে এসে কুয়াশা পড়তে থাকে এবং কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে নৌপথ দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যায়। এসময় ফেরি চলাচল ঝুকিপূ্র্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় ফেরি চলাচলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকায় ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছিলো।