রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহারের উপকারিতা

রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহারের উপকারিতা

ফাইল ছবি

রান্নার জন্য কোন তেল স্বাস্থ্যকর এ নিয়ে মতের শেষ নেই। কারো কারো মতে সরিষার তেল রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। কেউবা দেন অলিভ অয়েল খাওয়ার পরামর্শ। আবার বিশ্বের অনেক দেশে রান্নার কাজে নারকেল তেল ব্যবহার করা হয়। 

গবেষণায় দেখা গেছে, রান্নার জন্য সয়াবিন তেলের চেয়ে সূর্যমুখী বীজ থেকে পাওয়া তেল দশগুণ বেশী পুষ্টিমান সমৃদ্ধ। 

কেন খাবেন সূর্যমুখী তেল? রান্নায় এই তেল ব্যবহারের উপকারিতা কী? অন্যান্য তেলের সঙ্গেই বা এর পার্থক্য কোথায়? চলুন সূর্যমুখী তেলের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই- 

সূর্যমুখীর তেলে এমন কী কী আছে?

১. মনোআনস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে সূর্যমুখীর তেলে। এগুলি রক্তে ‘এল ডিএল’ বা ‘খারাপ’ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সার্বিক ভাবে হার্ট ভালো থাকে।

২. সূর্যমুখীর তেলের ‘স্মোকিং পয়েন্ট’, অর্থাৎ ধূমাঙ্ক বেশি। তাই অতিরিক্ত তাপ পেলেও এই তেল থেকে কোনও রকম রাসায়নিক নির্গত হয় না। মূলত ভাজাভুজির জন্য এই তেল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা।

৩. এই তেল ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে ভরপুর মাত্রায়। তাই সূর্যমুখীর তেলে রান্না করা খাবার খেলে তা শরীরে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের সমতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

তবে চিকিৎসকেরা বলেন, যে কোনও তেলই অতিরিক্ত খেলে তা হার্টের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রথমেই তেলের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। তেল কেনার আগে তার ধূমাঙ্ক বা ‘স্মোকিং পয়েন্ট’ সম্পর্কেও জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।