হবিগঞ্জের বাজারে বাজারে অবৈধ সিগারেটের রমরমা ব্যবসা
ফাইল ছবি
হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রমরমা অবৈধ সিগারেট ব্যবসা চলছে। এতে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার, বগলা বাজার, আলম বাজারসহ বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর বাজার, হিয়ালা বাজার, আগুয়া বাজার, বানিয়াচং সদর, রত্না বাজার, আজমিরীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, বাহুবল ও চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কমদামি নকল ব্রান্ডরোল যুক্ত সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। অথচ সরকার বিশেষ বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ৬০ টাকা প্যাকেটে সম্পূরক শুল্ক ৬৭% করেছে ফলে ১০ শলাকার প্রতি প্যাকেট ৬০ টাকায় বিক্রি করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলোতে নামে-বেনামে বিভিন্ন অবৈধ কোম্পানির সিগারেট ৩০/৪০ টাকায়বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারের নীধারিত ১০ শলাকার এক প্যাকেটে ৪৯.৮০ টাকা এবং ২০ শলাকার এক প্যাকেট এ ৯৯.৬০ টাকা ভ্যাট দিতে হয়। এ হিসেবে ১ শলাকা সিগারেট ৬ টাকায় বিক্রয় করা কথা। কিন্তু কিছু অবৈধ কোম্পানি ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে বাজারে নিম্নমানের কম দামি সিগারেট প্রতি শলাকা ৪/৫ টাকায় বিক্রি করে আসছেন।
ফলে ভ্যাট প্রদান করা বৈধ কোম্পানিগুলো অবৈধ কোম্পানিগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছেন না। অবৈধ ভাবে হরন সিগারেট বিক্রি হলে একটি ভুক্তারা যেমন প্রতারিত হবেন। তেমনি সরকারও রাজস্ব হারাবেন।
এতে সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দেওয়া কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে বৈধ কোম্পানির হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক চাকরি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করবেন। বাজারে কম দামি অবৈধ সিগারেট গুলোর মধ্যে মুনস্টার, পলো, পার্লামেন্ট, মেনসন, সানোর গোল্ড সহ আরো বিভিন্ন সিগারেট রয়েছে।
উক্ত বাজারগুলোতে ভোক্তা অধিকারের মনিটরিং এখন সময়ের দাবি। সরকার যদি এই বিষয় গুলোতে দৃষ্টি দিলে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবে। হবিগঞ্জের মানুষ আশা করেন খুব দ্রত এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।