দাঁতের ব্যাথা থেকে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

দাঁতের ব্যাথা থেকে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

ছবিঃ সংগৃহীত

কথায় আছে “দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝতে হয়"; অন্যথায় থাকে বিপদের ঝুঁকি। তবে, সেই ঝুঁকি যে হৃদরোগ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে তা অনেকেরই অজানা।গবেষণা জানালো সেই ঝুঁকির কথা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ও ভারতের পাবমেড থেকে প্রকাশিত দু’টি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মাড়িতে ও মুখগহ্বরে জন্মানো ব্যাক্টেরিয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

গবেষকরা বলছেন, ঠিকমতো দাঁত পরিষ্কার না করলে, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করলে মাড়ির সমস্যা দেখা দেয়। 

গবেষণায় দেখা গেছে, পরফাইরোমোনাস জিঞ্জিভালিস, অ্যাকটিনোব্যাসিলাস, ট্রিপোনেমা ডেন্টিকোলা নামে কিছু ব্যাক্টেরিয়া জন্মায় মাড়িতে, যারা প্রদাহ তৈরি করে। এসব ব্যাক্টেরিয়া দাঁতের ক্ষয়ের কারণ তো হয়ই, পাশাপাশি লালায় মিশে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

মুখগহ্বরে জন্মানো এই সব জীবাণু রক্তেও মেশে এবং হার্টের ধমনীতে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানে প্রদাহ তৈরি করে, ফলে রক্তজালিকাগুলোর ক্ষতি হয়। রক্ত সংবহন বাধা পেয়ে ধমনীর দেওয়ালে দূষিত পদার্থ জমতে থাকে। যা পরবর্তী সময়ে গিয়ে অ্যাথেরোসক্লেরোসিসের কারণ হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ধমনীর দেওয়ালের মধ্যে চর্বি, কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য পদার্থ জমতে থাকে যাকে বলে ‍‍প্লাক’। এর ফলে ধমনী সংকীর্ণ হয়ে রক্তপ্রবাহকে বাধা দিতে পার। এই ব্লকেজ থেকেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে। 

গবেষকেরা দাবি করেছেন, দীর্ঘসময় ধরে যারা দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভুগছেন, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি খুব বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাপনের পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত নেশার কারণে দাঁতের সমস্যা বাড়ছে।

মুখগহ্বরে জন্মানো এই সব জীবাণু রক্তেও মেশে এবং হার্টের ধমনীতে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানে প্রদাহ তৈরি করে, ফলে রক্তজালিকাগুলোর ক্ষতি হয়। রক্ত সংবহন বাধা পেয়ে ধমনীর দেওয়ালে দূষিত পদার্থ জমতে থাকে। যা পরবর্তী সময়ে গিয়ে অ্যাথেরোসক্লেরোসিসের কারণ হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ধমনীর দেওয়ালের মধ্যে চর্বি, কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য পদার্থ জমতে থাকে যাকে বলে ‍‍প্লাক’। এর ফলে ধমনী সংকীর্ণ হয়ে রক্তপ্রবাহকে বাধা দিতে পার। এই ব্লকেজ থেকেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে। 

গবেষকেরা দাবি করেছেন, দীর্ঘসময় ধরে যারা দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভুগছেন, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি খুব বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাপনের পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত নেশার কারণে দাঁতের সমস্যা বামিষ্টিজাতীয় খাবার, ফলের রস বা ঠান্ডা নরম পানীয় খাওয়ার পর মুখের লালার পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই গার্গল করলে তা আবার আগের পর্যায়ে ফিরে আসে। সেই সঙ্গে নিয়মিত জিভ পরিষ্কার রাখাও জরুরি।মুখগহ্বরে জন্মানো এই সব জীবাণু রক্তেও মেশে এবং হার্টের ধমনীতে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানে প্রদাহ তৈরি করে, ফলে রক্তজালিকাগুলোর ক্ষতি হয়। রক্ত সংবহন বাধা পেয়ে ধমনীর দেওয়ালে দূষিত পদার্থ জমতে থাকে। যা পরবর্তী সময়ে গিয়ে অ্যাথেরোসক্লেরোসিসের কারণ হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ধমনীর দেওয়ালের মধ্যে চর্বি, কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য পদার্থ জমতে থাকে যাকে বলে ‍‍প্লাক’। এর ফলে ধমনী সংকীর্ণ হয়ে রক্তপ্রবাহকে বাধা দিতে পার। এই ব্লকেজ থেকেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে। 

গবেষকেরা দাবি করেছেন, দীর্ঘসময় ধরে যারা দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভুগছেন, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি খুব বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাপনের পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত নেশার কারণে দাঁতের সমস্যা বাড়ছে।

তারা বলছেন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি দেওয়া পানীয়, জাঙ্ক ফুডের কারণেই মুখগহ্বরে নানা রকম ব্যাক্টেরিয়া বাসা বাঁধছে। 

তবে শুধু শুধু হৃদরোগ না। মুখের স্বাস্থ্যের সঙ্গে শরীরের আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সম্পর্ক রয়েছে। 

দীর্ঘদিন ধরে যারা ডায়াবিটিসে ভুগছেন, তাদেরও মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বিশেষভাবে প্রযোজ্য। 

 দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দিনে অন্তত দু’বার দাঁত মাজা, প্রয়োজনে ফ্লসিং করা, নিয়মিত গার্গল করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

মিষ্টিজাতীয় খাবার, ফলের রস বা ঠান্ডা নরম পানীয় খাওয়ার পর মুখের লালার পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই গার্গল করলে তা আবার আগের পর্যায়ে ফিরে আসে। সেই সঙ্গে নিয়মিত জিভ পরিষ্কার রাখাও জরুরি।