ঋণচুক্তির আগে সাত শর্ত পূরণে নির্দেশ ইআরডির
ছবি: সংগৃহীত
বিদেশি ঋণের আওতায় নতুন প্রকল্প গ্রহণে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের আগে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। এতে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগ, জমি অধিগ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দাখিলসহ কিছু নির্দিষ্ট প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই ঋণচুক্তিতে যাওয়া যাবে।
এই নির্দেশনা দিয়ে সম্প্রতি একটি পরিপত্র জারি করেছে ইআরডি। লক্ষ্য হলো প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনা, সময়মতো কার্যক্রম শেষ করা এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানো।
পরিপত্রে বাকি শর্তগুলো হচ্ছে—পরিকল্পনা কমিশনের স্তর বিন্যাস অনুযায়ী প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুমোদন নেওয়া, নির্মাণসামগ্রী, পণ্য ও সেবার ব্যয় প্রাক্কলন এবং দরপত্রের খসড়া প্রস্তুত করা, দরপত্র চূড়ান্তকরণ পর্যন্ত যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা। পাশাপাশি, উন্নয়ন সহযোগী এবং ইআরডির মধ্যে সম্পাদিত সাবসিডিয়ারি ঋণচুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ এবং চলমান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সেবা স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথাও বলা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, সাধারণত একনেক বৈঠকে প্রকল্প অনুমোদনের পরই বাস্তব কাজ শুরু হয়। তারপর নিয়োগ, বিদ্যুৎ-গ্যাস লাইন সরানো ও জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। অথচ এর আগেই উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদিত হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে বিলম্ব ও জটিলতা সৃষ্টি করে।
এই প্রেক্ষাপটে ইআরডি বলেছে, প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির আগেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে এসব শর্ত পূরণ করতে হবে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পরিপত্রের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।