ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিষিদ্ধ চান ছাত্রদল সভাপতি

ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিষিদ্ধ চান ছাত্রদল সভাপতি

ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে যে মব সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য দায়ী গুপ্ত ছাত্রসংগঠন। অধিকাংশ মব এই গুপ্ত রাজনীতির কারণে হয়েছে। তাই আমরা এই গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই।

রোববার (১০ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ঢাবি প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্রসংগঠনের এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

ছাত্রদল সভাপতি বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি রাজনৈতিক দলগুলো এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে ছাত্ররাজনীতির রূপরেখা প্রণয়নের জন্য। সেখানে একটি বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ছাত্রশিবির ব্যতীত সকল ছাত্রসংগঠন একবাক্যে বিগত এক বছরে যত মবতন্ত্র হয়েছে তার জন্য সরাসরি ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দায়ী করেছে। তারা তাদের কমিটি প্রকাশ না করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ গোপনভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং বিভিন্ন সময় ছাত্র নেতাদের নামে মব তৈরির প্রেক্ষাপট তৈরি করে। তারা বারবার পেছন দিক থেকে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতি প্রণয়ন করেছে।

রাকিব বলেন, আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ৩ আগস্ট সমাবেশে ৯ দফা প্রকাশ করেছি, যেখানে ছাত্ররাজনীতির রূপরেখা নিয়ে বলা হয়েছে। সেই ৯ দফার আলোকে আমরা ছাত্ররাজনীতি চালানোর নিশ্চয়তা দিয়েছি।

এরপরে ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ছাত্রদলের প্রতি অভিযোগ এনে বলেন, ডাকসুর তফসিল ঘোষণার পরপরই ছাত্রদল হলগুলোতে তাদের কমিটি ঘোষণা করেছে, যা ডাকসু বানচালের একটি ষড়যন্ত্র। শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলগুলোতে ভেন্ডিং মেশিন ও পানির ফিল্টার স্থাপনের সময় কিছু বলে নাই, কিন্তু ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ করার পর তারা আতঙ্কিত হয়ে এসব বয়কট করেছে।

ইয়ামিন বলেন, গুপ্ত রাজনীতিকে আমি সমর্থন করি এটি সম্পূর্ণ একটি মিথ্যাচার- যা ছাত্রদল সভাপতি ও সেক্রেটারি একটু আগে আমার নামে করে গিয়েছে। ছাত্রদল তাদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য এই ট্যাগ দিয়ে গিয়েছে। আমি সবসময় প্রকাশ্যে কথা বলেছি, কখনো গুপ্ত রাজনীতি করি নাই। এমনকি আমরা ছাত্রশিবিরকে তাদের বিগত সালের কমিটি প্রকাশ করা ও বর্তমানে তাদের কমিটির নাম প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছি।