ওয়াশিংটনের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ ট্রাম্প -এলন মাস্কের সংস্থা
সবচেয়ে বড় ভয়ংকর অপরাধী।ছবিঃ সংগৃহীত
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের হয়ে গলা ফাটিয়েছেন এলন মাস্ক। রিপাবলিকান প্রার্থীর হয়ে অর্থ ঢেলেছেন জলের মতো। দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউজের বাসিন্দা হওয়ার পরে টেসলা প্রধান এলন মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদেও বসিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু দু’জনের সম্পর্ক বর্তমানে আদায়-কাঁচকলায়। তাতে নতুন মাত্রা যোগ করল মাস্কের সংস্থা ‘গ্রোক’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ওয়াশিংটনের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে মাস্কের এআই চ্যাটবটে। মার্কিন রাজধানীতে অপরাধ সম্পর্কে জানতে চাইলে এক্স ব্যবহারকারীদের লাগাতার এই তথ্য দিয়েছে গ্রোক।
কী কারণে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হচ্ছে, তারও একটি আপাতগ্রাহ্য যুক্তি থাকছে ‘গ্রোক’-এ সার্চের উত্তরে। যেখানে বারবার দাবি করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক নথি জালিয়াতির জন্য নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পকে ৩৪টি গুরুতর মামলায় দোষী ঘোষণা করা হয়েছে। যা তাঁকে শহরের সবচেয়ে কুখ্যাত অপরাধীর তকমা দিয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে কি হিংসামূলক অপরাধ কমছে? রবিবার ‘গ্রোক’-এ এমন প্রশ্ন করেন কয়েকজন এক্স ব্যবহারকারীরা। যার জবাবে এআই চ্যাটবটটি জানায়, ‘হ্যাঁ, ২০২৫ সালে ডিসিতে হিংসার ঘটনার মতো অপরাধ ২৬ শতাংশ কমেছে, যা মেট্রোপলিটান পুলিস এবং ডজের তথ্য অনুসারে ৩০ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।’
রাজধানীর ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধী’ কে? ‘গ্রোক’-এ এই প্রশ্নের যে জবাব এক্স ব্যবহারকারীর স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ অনেকের। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং কুখ্যাতির ভিত্তিতে, সেখানকার সবচেয়ে কুখ্যাত অপরাধী হলেন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক সিটিতে ৩৪টি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে রায় বহাল রাখা হয়েছে।’ যদিও বিতর্কের জেরে সেই পোস্টগুলি পরে ডিলিট করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।