ইয়েমেনের সানায় ইসরায়েলি হামলা

ইয়েমেনের সানায় ইসরায়েলি হামলা

সংগৃহীত

ইসরায়েল বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির ওপর চার দিন আগেও প্রাণঘাতী বোমাবর্ষণ চালিয়েছিলো ইসরায়েল।

হুথিদের সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ এক্সে লিখেছে, ‘রাজধানী সানায় ইসরায়েলি হামলা’। তবে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি তারা।

তবে ইয়েমেনের সানায় হুথিদের ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হানার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েল।  এক সামরিক বিবৃতিতে ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইয়েমেনের সানায় হুথি ‘সন্ত্রাসী সরকারের একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের দিকে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে এবং জাহাজে আক্রমণ চালিয়েছে, যা ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করছে ও বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহত করছে।’

হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবেই তারা এসব অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।

অন্যদিকে হুথিরা দাবি করে, ফিলিস্তিনিদের সমর্থনেই তারা নিয়মিত ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে। ইসরায়েলের হামলায় সোমবার সানায় অন্তত ১০ জন নিহত ও ৯০ জনের বেশি আহত হয়েছিলো বলে হুথি বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত শহরটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হুথিদের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদও রয়েছে।

হুথিরা বুধবার ইসরায়েলে নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা সেটি প্রতিহত করেছে।

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হুথিরা নিয়মিত ইসরায়েলের দিকে হামলা চালাচ্ছে ও লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ইসরায়েল-সংযুক্ত বলে দাবি করা জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে হুথিরা। তারা ইরানের নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলবিরোধী জোটের অংশ, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত।