আমিরাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
সংগৃহীত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেক কাটা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রোববার (৩১ আগস্ট) স্থানীয় ইব্রাহীম রেস্টুরেন্টের হল রুমে আবুধাবি বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাত বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল সালাম তালুকদার, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুবাই বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাত বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মাহে আলম, দিদারুল আলম, আবুল কালাম আজাদ, নূর হোসেন সুমন, আবুল বশর, সওকত ওসমান, এস এম মোদাচ্ছের শাহ, শাহাদাত হোসেন সুমন, নাছির উদ্দিন চৌধুরী, মুজিবুল হক মঞ্জু। আরও উপস্থিত ছিলেন আমিরুল ইসলাম টিপু, জামাল উদ্দিন কন্ট্রাক্টর।
ইব্রাহীম খলিলের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে যৌথ পরিচালনায় ছিলেন ইকবাল, নয়ন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আবুল বশর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল সালাম তালুকদার বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান না হলে বাংলাদেশে স্বাধীনতার সূর্য উদিত হতো না। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সরাসরি রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, একদলীয় বাকশাল মুক্ত করে আবারও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করে তলাবিহীন জুড়ি খ্যাত বাংলাদেশকে খাল কাটা কর্মসূচিসহ নানাবিধ কর্মসূচির মাধ্যমে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা হিসেবে গড়েছিলেন। একদল বিপদগামী লোকের কারণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বিয়োগের পর আবারও বাংলাদেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই বিপদে পড়েছে জিয়া পরিবারই দেশের হাল ধরেছে, সর্বশেষ যখন আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৭ বছর আমাদের ওপর চেপে বসেছিল তখন আবার বাংলাদেশকে মুক্ত করতে মুক্তির মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশনায়ক তারেক রহমান। এক কথায় জিয়া পরিবারের হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম, মোহাম্মফ আরিফ, প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান টিপু, কাজী ফারুক, সাগর হোসেন, আরিফ তালুকদার, হেলাল উদ্দিন, ইলিয়াছ ভুঁইয়া, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, নেছারুল হক।