বাস কাউন্টারে বই পড়বে অপেক্ষামান যাত্রীরা
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রামে ‘অবসরে পড়ি বই, আলোকিত মানুষ হই’ স্লোগানে বাস কাউন্টারে ১৮তম পাঠাগারের যাত্রা শুরু হয়েছে। যাত্রাপথে বাস কাউন্টার, সেলুন কিংবা ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে অপেক্ষমাণ মানুষের অবসর সময়কে আনন্দময় ও ফলপ্রসূ করে তোলা এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছে স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন। শনিবার নগরীর একেখান গ্রীন লাইন বাস কাউন্টারে ১৮তম ‘অবসর পাঠাগার’ নামে এটির উদ্বোধন করা হয়েছে।
স্বপ্নযাত্রী পাউন্ডেশনের পাঠাগার টিমের প্রধান সমন্বয়ক সাফায়েত রায়হান শিহাবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী। প্রধান আলোচক ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইফতেখার মনির। বিশেষ অতিথি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর পুষ্পা সুলতানা, চকরিয়া ম্যাক্স হাসপাতাল লিমিটেডের সিইও মুহাম্মদ ওবায়দুল হক মনি, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল, লেখক ও প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ খান, সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক ইমরান এমি, কাউন্টারের ম্যানেজার বিপ্লব আইচ বাবু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জিএম সংগঠনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ, জাহেদুল আলম মুন্না, আহমেদ ইসতিয়াক আজাদ, জামান চৌধুরী শিপলু, মোঃ মনির, এস এম মিজবা, মোঃ জাবেদ, খানম হাবিব মিজবাহ, ইরফান আজাদ, মোঃ সাওয়াল প্রমুখ।
বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে অবসর পাঠাগারের জন্য বই উপহার দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, শিক্ষক ও লেখক মাইনুল এইচ সিরাজীসহ বিভিন্ন লেখক ও শুভাকাঙ্খী। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রাঙামাটির বনরুপাস্থ পাহাড়িকা বাস কাউন্টারে প্রথম অবসর পাঠাগার স্থাপনের মাধ্যমে এই উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম, ঢাকা, বান্দরবান, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও রাঙামাটিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে ১৭টি অবসর পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।