আইপিএবির উদ্যোগ: ব্র্যান্ড প্রমোশন ও ডিজিটাল মার্কেটিং

আইপিএবির উদ্যোগ: ব্র্যান্ড প্রমোশন ও ডিজিটাল মার্কেটিং

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইপিএবি)। আধুনিক বিপণন, ব্র্যান্ড সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ।

আইপিএবি চালু করতে যাচ্ছে ‘ডিজিটাল আইপি জার্নাল’। উদ্যোক্তারা এখানে তাদের ব্র্যান্ডের সাফল্যের গল্প ও বাজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে পারবেন। এটি তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য শিক্ষণীয় প্ল্যাটফর্ম এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড দৃশ্যমান হবে।

অবৈধ বাণিজ্য রোধে আইপিএবি চালু করতে যাচ্ছে জাতীয় ক্যাম্পেইন “ আরআরবিজি ”- নকল রুখব, চোরাচালান রুখব, রাজস্ব বাড়াব, দেশ গড়ব। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্রিয় অংশগ্রহণে নকল ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে বৈধ ব্যবসায়ীরা সুরক্ষা পাবেন, সরকারের রাজস্ব বাড়বে এবং ভোক্তারা পাবেন নিরাপদ পণ্য।

ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে আইপিএবি চালু করতে যাচ্ছে আইপি অ্যাওয়ার্ড। এতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্যোক্তাদের সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হবে। এই স্বীকৃতি নতুন উদ্যোগে অনুপ্রেরণা দিবে এবং শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি প্রদান করবে।

ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইপিএবি নিয়মিত নীতি সংলাপ আয়োজন করবে। সরকার ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক ও আর্থিক বাধা দূর করা হবে। এটি জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। এছাড়া, অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারণা চালাচ্ছে আইপিএবি। ভোক্তাদের জন্য বার্তা- “পাইরেসি ও নকল এড়িয়ে চলুন”।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য বার্তা হচ্ছে- “পাইরেসি ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা”। এই প্রচারণা ভোক্তাদের নকল পণ্য থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবে।

পরিশেষে আইপিএবি’র লক্ষ্য, শুধু ব্র্যান্ড প্রমোশন নয়, বরং ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ তৈরি করা। ডিজিটাল মার্কেটিং, সচেতনতা বৃদ্ধি, নীতি সংলাপ ও অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করা সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।