শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিতে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূণ : চসিক মেয়র
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে ঝরে পড়া ঠেকাতে স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিতে শিক্ষকদের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার চসিক আন্তঃবিদ্যালয় বার্ষিক ও এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় চসিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষায় শীর্ষ অবস্থানে থাকা ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় ১ম স্থান অর্জনকারী অপর্ণাচরণ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, ২য় স্থান অর্জনকারী কৃষ্ণকুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তমিজ উদ্দিন ও ৩য় স্থান অর্জনকারী রামপুর সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফুর রহমান ফারুকীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা ও শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন, চসিক আন্তঃবিদ্যালয় পরীক্ষা কমিটি-২০২৫ এর আহ্বায়ক ফতেয়াবাদ শৈলবালা চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জুলফিকার আলী হায়দার, সদস্য কৃষ্ণকুমারী চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নিছা খানম, শহীদ নগর চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৌমেন ব্যানার্জী, কাপাসগোলা চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (আইসিটি) মুহাম্মদ শাজাহান আলম এবং সদস্য সচিব জুলেখা আমিনুর রহমান চসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন।
মেয়র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের দিকনির্দেশনা প্রদান করে বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে ঝরে পড়া ঠেকাতে স্কুলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য শিক্ষকদের ক্লাসরুম ভিত্তিক উপস্থিতি তদারকি জোরদার করতে হবে এবং অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের মাধ্যমে অভিভাবকদের অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে আসে না, তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী-এই ত্রিপাক্ষিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাউন্সেলিং কার্যক্রম চালু করতে হবে। মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য পাঠদানের গুণগত মান বৃদ্ধি, নিয়মিত মডেল টেস্ট, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস এবং ফলাফলভিত্তিক একাডেমিক ফলোআপ নিশ্চিত করতে হবে।
মেয়র বলেন, স্বাস্থ্য সচেতন শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘স্কুল হেলথ কার্ড’ কার্যক্রম কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা শিক্ষা অর্জনের অপরিহার্য অংশ।