ইরানের বিক্ষোভকে 'অভ্যুত্থান' আখ্যা দিলেন জেলেনস্কি

ইরানের বিক্ষোভকে 'অভ্যুত্থান' আখ্যা দিলেন জেলেনস্কি

ভলোদিমির জেলেনস্কি

ইরানের চলমান বিক্ষোভকে 'অভ্যুত্থান' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, ‘এটি রাশিয়ার জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার একটি স্পষ্ট লক্ষণ’। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের। 

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ফার্সি ভাষায় দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি লেখেন, ‘বর্তমানে ইরানে যে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে, তা মূলত একটি অভ্যুত্থান। এটি এই সংকেতও দিচ্ছে যে, রাশিয়ার জন্য সামনের পথ আর সহজ হবে না।’

বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবর্তনের এই বিশেষ মুহূর্তটি যেন বিশ্ববাসীর নজর এড়িয়ে না যায়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশ্বনেতাদের এখন এই বিষয়ে যুক্ত হতে হবে এবং যারা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তাদের অপসারণে সাধারণ মানুষকে সহায়তা করতে হবে। ইরান যে পথে চলছে, তাতে সব কিছুই ভিন্ন হতে পারত।’

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে পড়েছে ইরান। মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক দুরবস্থার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ শুরু হলেও দ্রুত তা রাজনৈতিক রূপ নেয়। গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া বিক্ষোভ এরই মধ্যে দেশটির বড় অংশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা বর্তমান শাসনের অবসান দাবি করছেন। ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

চলমান এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ইরানে ‘হস্তক্ষেপের’ হুমকি দিয়েছেন। ইরানি নেতৃত্বকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ না করার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। গত শনিবারও ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের ‘সহায়তা দিতে প্রস্তুত’।

এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রোববার দেশের অর্থনীতি ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, তার সরকার জনগণের কথা শোনার জন্য প্রস্তুত।

ইউরোপে বদলে যাচ্ছেগোল্ডেন ভিসা নিয়ম

বিশ্বের ধনী ও উচ্চ-মধ্যবিত্তদের কাছে ‘গোল্ডেন ভিসা’ শুধু একটি বাড়তি ভিসা নয়; বরং এটি এখন নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং উন্নত জীবনের একধরনের নিশ্চয়তা। ২০২৫ সাল সেই বাস্তবতাকেই আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। কোথাও কর্মসূচি বন্ধ, কোথাও কঠোর আইন, আবার কোথাও নতুন করে দরজা খুলে দেওয়া—সব মিলিয়ে গোল্ডেন ভিসার নিয়ম বদলে গেছে।

এই পরিবর্তনের বড় প্রভাব পড়তে যাচ্ছে চলতি বছরেই। এ বছর কোন দেশ এগিয়ে থাকবে, তা নির্ভর করবে গত বছরের এই সিদ্ধান্তগুলোর ওপরই। তাই বলা যায়, ২০২৫ ছিল প্রস্তুতির বছর। আর ২০২৬ হতে যাচ্ছে গোল্ডেন ভিসা দুনিয়ার নতুন অধ্যায়।