গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য কিছু কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন : বদিউল আলম

গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য কিছু কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন : বদিউল আলম

সংগৃহীত ছবি

গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য কিছু কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক দলের কাছে সুস্পষ্ট আহ্বান জানাই- কোনোরকম অস্পষ্ট না রেখে তারা যেন সুস্পষ্টভাবে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে অঙ্গীকার করেন। গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য কতগুলো কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। আপনারা জেনে-বুঝে হ্যাঁ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান নেবেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা-সংস্কার ও নির্বাচনি ইশতেহার শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সুজন।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এই ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়া মানে সংস্কার হওয়া, ‘না’ জয়যুক্ত হওয়া মানে সংস্কার না হওয়া। এই সংস্কার না হলে আমরা আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারি। এ অবস্থায় আগামীতে যে সরকার নির্বাচিত হয়ে আসবে, তারাও স্বৈরাচারে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা একবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে তাদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে হবে। আমরা তাদেরকে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ব্যাপারে তাদের অবস্থান ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’- এটা সুস্পষ্ট করার আহ্বান জানাচ্ছি।

সুজন সম্পাদক বলেন, আমরা বলেছি যে নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে। টাকার খেলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসতে হবে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন হলে যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ হবে তা নিশ্চিত করা যায় না, এর জন্য কতগুলো সংস্কার আমাদের করতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরিত ৮৪টা বিষয়ে আমরা ঐকমত্যে পৌঁছেছি। তার মধ্যে ৪৮টা বিষয়ে গণভোট হবে আর ৩৬টা বিষয়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে কিংবা নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং এই ৪৮টা বিষয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’- এর বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।