‘নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতেই কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা’
সংগ্রহীত ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতেই কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও ঢাকা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী আলহাজ আমান উল্লাহ আমান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত হাসান মোল্লার জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি পক্ষ চায় না দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসুক। তারা নির্বাচন বানচাল করতে নানা ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের টার্গেট করছে।
কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা কোনোভাবেই নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘোষিত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
এসময় ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি বলেন, হাসান মোল্লা ছিলেন বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী। দলের দুঃসময়ে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছেন, কিন্তু দুষ্কৃতিকারীরা তাকে বাঁচতে দিল না।
আমরা শহীদ হাসান মোল্লার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে এগিয়ে যাব।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার হযরতপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন হাসান মোল্লা। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সর্বশেষ গত ২৪ জানুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে আইসিইউতে থাকা অবস্থায় হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
জানাজায় নিহতের ছোট ভাই রাকিব মোল্লা ভাইয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। জানাজায় তার ছেলে বাদল মোল্লা শুভসহ কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবী, সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জামাল চেয়ারম্যানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে তাকে কলাতিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।