বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ‘গাছ দত্তক’ কর্মসূচি নেত্রকোনায়
সংগৃহীত
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী আয়োজনে ‘গাছ দত্তক’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে শহরের কালিবাড়ি বটগাছ তলায় ‘গাছ দত্তক’ কর্মসূচিতে শপথ বাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়ে গাছ উপহার দেয়া হয়েছে।
বারসিকের সহযোগিতায় গ্রীন কোয়ালিশনের আয়োজনে ‘আমার গাছ, আমার দায়িত্ব’ স্লোগানে শিশু বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষ অংশ নেয়। তারা গাছের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে গাছটি আয়োজকদের হাত থেকে গ্রহণ করেন।
এর আগে ‘একজন এক গাছ সবুজ হবে চারপাশ’, ‘আসুন একটি গাছের দায়িত্ব নেই, পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় হই’ এমন নানা স্লোগানে প্লেকার্ড প্রদর্শন করে। এতে নতুন প্রজন্মসহ শিশুদেরকেও সচেতন করতে পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়াতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিরতণ করা হয়। এর আগে গাছকে কীভাবে লালন পালন করা হবে এই নিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করান বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান। এমন একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে অংশ নিয়ে এবং গাছ নিতে পেরে শিশু তরুণ বৃদ্ধারাও আনন্দিত। এ ধরনের আয়োজনে পরিবেশের গুরুত্ব বুঝবে বলেও তাদের ধারণা।
দিবসটির গুরুত্ব এবং চারপাশের বিপর্যস্ত পরিবেশ নিয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গ্রীন কোয়ালিশনের সহ-সভাপতি ও শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ, বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক আলপনা বেগম, পরিবেশ কর্মী শংকর ম্রং, গ্রীন কোয়ালিশনের সমন্বয়কারী অনাবিলা সরকার, তাজিম রহমান, সবুজ সংহতির তানভীর হায়াত খান, মীর্জা হৃদয় সাগর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গাছের লালন পালনও শিশুদের মতোই করতে হয়। কারণ গাছ শুধু অক্সিজেন দেয় না। এই গাছ ফল দেয় কাঠ দেয়। এক কথায় বললে গাছের বিকল্প নেই। তাই গাছকে বাঁচাতে হলে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ধরে রাখতে হবে। চুক্তি করে স্বাক্ষর দিয়ে গাছ নেয়ার অর্থই হল গাছটিকে লালন পালন করা বাধ্যতামূলক হয়ে গেল। এতে করে দায়ও থাকবে।