পুলিশ যাওয়ার পরই ডাকাতি, স্বর্ণালংকারসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

পুলিশ যাওয়ার পরই ডাকাতি, স্বর্ণালংকারসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

ফাইল ছবি

 নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামে পুলিশ প্রশাসনের পরিচয়ে গভীর রাতে সংঘটিত হয়েছে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা।

নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামে পুলিশ প্রশাসনের পরিচয়ে গভীর রাতে সংঘটিত হয়েছে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা। এ সময় ডাকাতরা নগদ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয় বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

এ ঘটনায় উম্মে হানী বেগম বাদী হয়ে বুধবার সুধারাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রথমে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি বাড়িতে আসে। তারা কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর চলে যায়। এরপর রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে আবার পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি বসতঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরে থাকা নারী সদস্যদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্টিলের আলমারি ভেঙে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না।

পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় তারা একজন ডাকাতকে চিনতে পেরেছেন। তাদের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে আবুল বাশার ও তার সহযোগীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার এসআই শ্রীবাস চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা একটি অপহরণ মামলার আসামি সাকিবকে খোঁজার জন্য ওই বাড়িতে রাত ১২টার দিকে গিয়েছিলাম। তখন বাদীর পরিবার বাড়িতে উপস্থিত ছিল। তবে আসামিকে না পেয়ে আমরা সেখান থেকে চলে আসি। এরপর গভীর রাতে যে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তারা আমাদের জানিয়েছেন। তারা একজনকে চিনতে পেরেছে বলেও জানিয়েছে। আমি তাদের থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি।