জানুয়ারিতেও রফতানি আয় কমেছে
ফাইল ছবি
টানা ষষ্ঠ মাসের মতো দেশের রফতানি খাত পতনের ধারায় রয়েছে। সবশেষ গত জানুয়ারি মাসে দেশে পণ্য রফতানি থেকে আয় এসেছে ৪৪১ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার। বছর ব্যবধানে যা কমেছে ০.৫০ শতাংশ।
সোমবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত জানুয়ারি মাসে দেশের রফতানি আয় কমেছে। ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.৫০ শতাংশ। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
তৈরি পোশাক খাত
জানুয়ারি মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬১ কোটি ৪৭ লাখ ডলারে। আর ২০২৫ সালের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩৬৬ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।
তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয়ের মধ্যে ১৮০ কোটি ১৯ লাখ ডলার এসেছে নিটওয়্যার রফতানি থেকে। যা বছর ব্যবধানে ২.৬১ শতাংশ কমেছে। এছাড়া, ওভেন পোশাক রফতানি থেকে এসেছে ১৮১ কোটি ২৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ০.০৭ শতাংশ।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খাতের মধ্যে কৃষি পণ্যের রফতানি আয় কমলেও হোম টেক্সটাইল এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের রফতানি আয় ৪.৮৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৭১ লাখ ডলারে।
আর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি বেড়েছে ৬.৩৪ শতাংশ। জানুয়ারি মাসে রফতানি হয়েছে ৯ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য তবে কৃষি পণ্যের রফতানি আয় ৬.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৩১ লাখ ডলারে। ২০২৪ সালের একই সময়ে যা ছিল ৭ কোটি ৮৩ লাখ ডলার।
এদিকে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং চামড়াসহ ২৭ ধরনের পণ্য বিশ্ববাজারে রফতানি হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয়েছে ২ হাজার ৮৪১ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৯৩ শতাংশ কম।