বার্সায় ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল
ছবি: সংগৃহীত
১৯৮২ সালে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা বোকা জুনিয়র্স ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেন। কাতালান ক্লাবে তিনি ছিলেন দুই বছর। এই সময়ে ৫৮টি ম্যাচ খেলে ৩৮টি গোল করেছিলেন ম্যারাডোনা।
১৯৮৪ সালে ৬.৯ মিলিয়ন পাউন্ডে তিনি যোগ দেন ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে। সেখানেই ম্যারাডোনা নিজের কিংবদন্তি অধ্যায় গড়ে তোলেন। নাপোলির হয়ে ৭ বছরে তিনি জেতান ২টি সিরি আ, ১টি উয়েফা কাপসহ একাধিক শিরোপা। এই সময়ে তাঁর গোলসংখ্যা ছিল ১৫৭।
এবার আলোচনায় এসেছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। মূলত তাঁর একটি পরিসংখ্যান সামনে আনতেই ম্যারাডোনার বার্সেলোনা অধ্যায়ের কথা উঠে এসেছে।
২০২৩ সালে বার্সেলোনার মূল দলে যোগ দেওয়া ইয়ামাল এখন পর্যন্ত ক্লাবের হয়ে ৩৮টি গোল করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বার্সেলোনার জার্সিতে ম্যারাডোনার করা গোলসংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছেন।
ম্যারাডোনা যেখানে ৫৮ ম্যাচে ৩৮ গোল করেছিলেন, সেখানে ইয়ামালকে ৩৯ গোল করতে খেলতে হয়েছে ১৩৫টি ম্যাচ। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ইয়ামালের গোলের হিসাব- লা লিগা ৯১ ম্যাচে ২৩ গোল, কোপা দেল রে ৯ ম্যাচে ৫ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগ: ২৯ ম্যাচে ৮ গোল।
বুধবার কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে ইয়ামালই ম্যাচের ‘ডেডলক’ ভাঙেন। ৩৯তম মিনিটে করা তাঁর গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। পরে রোনাল্ড আরাউহো আরেকটি গোল করলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে কাতালানরা।
এই জয়ের মাধ্যমে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠা প্রথম দল হয় বার্সেলোনা।
ম্যাচ শেষে ইয়ামাল ও আরাউহোর প্রশংসা করেন ক্লাব সভাপতি জোয়ান লাপোর্তা। তিনি বলেন, “ইয়ামাল একজন জাদুকর। তাঁর পা থেকেই ম্যাচের প্রথম গোলটি এসেছে। তবে আমি বিশেষভাবে রোনাল্ড আরাউহোর জন্য খুশি। সে গোল করেছে এবং ম্যাচের শুরু থেকেই খেলেছে। আমাদের অধিনায়কের ফেরা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তার গোল আমাদের অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে।”