হ্যান্ডশেক বিতর্কে মুখ খুললেন পাকিস্তান অধিনায়ক
ছবি: সংগৃহীত
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটে চলমান হ্যান্ডশেক ও ক্রীড়াসৌজন্য বিতর্ক নিয়ে এবার প্রকাশ্যে কথা বলেছেন পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সালমান আলি আগা। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা খেলাটার জন্য ভালো নয় এবং খেলোয়াড়দের আচরণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোয় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। সালমান আগা বলেন, “আমরা ব্যক্তিগতভাবে এতে আহত নই। কিন্তু খেলাটার স্বার্থে এসব ভালো নয়। আমি বুক চিতিয়ে বলতে পারি, এই ধরনের ঘটনা হওয়া উচিত নয়।”
তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়রা না চাইলেও তরুণদের কাছে রোল মডেল হয়ে ওঠেন। তাই মাঠে ও মাঠের বাইরে পেশাদার আচরণ বজায় রাখা খুবই জরুরি।
পাকিস্তান অধিনায়ক বলেন, “আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন দেখতাম সিনিয়র ক্রিকেটাররা সব সময় খেলাটার উন্নতির কথা ভাবতেন। আমরা এখন নিজেরাও রোল মডেল। আমরা যদি এমন আচরণ করি, শিশুরাও সেটাই অনুসরণ করবে। রোল মডেলদের এসব করা উচিত নয়।”
এই বিতর্কের শুরু ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ থেকে। গ্রুপ পর্ব, সুপার ফোর ও ফাইনাল প্রতিটি ম্যাচেই ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনা চোখে পড়ে। ফাইনালে ভারত জিতলেও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পিসিবি চেয়ারম্যান ও এসিসি সভাপতি মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ না করায় বিতর্ক আরও বাড়ে।
এরপর নারী বিশ্বকাপ, হংকং সুপার সিক্স এবং ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসেও (ডব্লিউসিএল) দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক ও সৌজন্য বিনিময় না করার অভিযোগ ওঠে। ডব্লিউসিএলের দ্বিতীয় মৌসুমে ভারত গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতেই অস্বীকৃতি জানায়।
এমনকি আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২৬-এও বিতর্ক থামেনি। সুপার সিক্সে পাকিস্তান অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ ও ভারতের আয়ুশ মাত্রের মধ্যে হ্যান্ডশেক না হওয়ায় বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে।