নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর

নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর

প্রতিকি ছবি

নাটোরের লালপুরে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকদের গণসংযোগ চলাকালে এ সংঘর্ষ ঘটে। একই সময় একটি নির্বাচনি অফিসে ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে কচুয়া বাজার এলাকায় গণসংযোগ করছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর সমর্থকেরা। এ সময় বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের সমর্থকদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। হামলার জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দায়ী করছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করেন, গণসংযোগ চলাকালে পুতুলের সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পরে সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের পক্ষ থেকেও পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ পাপ্পু বলেন, শুক্রবার এশার নামাজের পর আরবাব ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়া নির্বাচনি অফিসে কয়েকজন কর্মী অবস্থান করছিলেন। ওই সময় সালামপুর এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর প্রায় এক থেকে দেড়শ সমর্থক মিছিল নিয়ে কচুয়া বাজারে প্রবেশ করে। পরে মিছিলটি অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার পর ফিরে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও বলেন, হামলায় নির্বাচনি অফিস তছনছ করা হয় এবং ফারজানা শারমিন পুতুল ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়। এ ঘটনায় প্রতিহত করতে গিয়ে বিএনপির তিনজন সমর্থক আহত হন।

সংঘর্ষের পর পুলিশ খলিলুর রহমান (৪০) নামে একজনকে আটক করে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থক বলে জানা গেছে।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়রা একজনকে আটক করে রাখলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।