“জুলুমতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস”
“জুলুমতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শাশ্বত অনুপ্রেরণার উৎস”।। ছবিঃ সংগৃহিত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ২ হিজরির ১৭ রমজান (১৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সবচেয়ে বড় যুদ্ধ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ২ হিজরির ১৭ রমজান (১৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ। ইসলামের ইতিহাসে এটি প্রথম সবচেয়ে বড় যুদ্ধ। এই যুদ্ধের মাধ্যমেই জালিম শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক আইনের সমাজ-রাষ্ট্র ও শাসননীতির বিজয় হয়। বাহ্যত খুবই নগন্য সেনাদল নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিপুল বিশাল এক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছিলেন এবং আল্লাহর রহমতে জয় পেয়েছিলেন। এই ঘটনা আমাদেরকে জালিমের বাহ্যিক শক্তিমত্তা উপেক্ষা করে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রেরণা যোগায়। আজকের এই দিনে আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি বিশেষ দরুদ ও সালাম প্রেরণ করছি এবং সকল বদরী সাহাবায়ে কেরামের প্রতি শ্রদ্ধা ও সালাম প্রেরণ করছি।
৭ মার্চ (১৭ রমজান) ঐতিহাসিক বদর দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন।
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, শাসন পরিচালনায় এখন ন্যায় ও ইনসাফের বদলে হিংসা,লোভ ও সহিংসতাই মূলনীতি হিসেবে বিবেচ্য হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোন নিয়ম ও আইনের তোয়াক্কা কেউ করছে না। কিছু মানুষের খামখেয়ালির কারণে গোটা বিশ্বের শতকোটি মানুষ নানামাত্রিক বিপদে নিপতিত হচ্ছে। হাজারো মানুষের জীবন যাচ্ছে, নিষ্পাপ শিশুদের প্রাণ যাচ্ছে। জুলুমতান্ত্রিক এই বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ শ্বাশত প্রেরণার উৎস। বাহ্যত আমাদের শক্তি-সামর্থ যতই কম দেখাক না কেন আমরা যদি অটল-অবিচল থেকে সংগ্রাম করতে পারি তাহলে বিজয় আমাদের হবেই; ইনশাআল্লাহ।