বগুড়ায় ঈদ উদযাপন মুশফিকের
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম বরাবরই শিকড়সন্ধানী। এবারের ঈদুল ফিতরও তিনি পালন করছেন নিজের শহর বগুড়ায়। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রিকশায় চড়ে ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে যান সাবেক এই অধিনায়ক। আগে থেকে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন তাঁর বাবা মাহবুব হামিদ তারা।
বগুড়ার ধরমপুর মাটিডালি নাজিম উদ্দিন জিলাদার ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং অসহায় মানুষের মাঝে দান করেন এই ক্রিকেট তারকা। এর আগে সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন তিনি।
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া প্রসঙ্গে মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘সবাইকে ঈদ মোবারক। ঈদের আনন্দ পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও গরিব মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত।
সম্প্রতি জেদ্দায় আটকে পড়া নিয়ে নিজের উৎকণ্ঠার কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘জেদ্দায় যখন আটকে ছিলাম, খুবই টেনশনে ছিলাম। প্রায় দেড় দিন সেখানে কাটাতে হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের দোয়াতে ফিরতে পেরেছি।
এদিকে নাতি ও ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে পেরে আবেগাপ্লুত মুশফিকের বাবা মাহবুব হামিদ তারা। বিদেশের মাটিতে যুদ্ধের অনিশ্চয়তা আর প্রাণভয়ের মধ্যে কাটানো সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে ও (মুশফিক) যখন আটকে ছিল, আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। মহান আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে দোয়া করেছি। কয়েক মসজিদেও দোয়া করানো হয়েছিল।
তিনি আরো জানান, ক্রীড়ামন্ত্রী ও কনস্যুলেট জেনারেলের বিশেষ তৎপরতায় মুশফিক ও এনামুল বিশেষ টিকিটে বাংলাদেশ বিমানে করে দেশে ফিরতে পেরেছেন। ছেলের পাশে নাতিকে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করাকে মহান আল্লাহর প্রতি বিশেষ শুকরিয়া হিসেবে দেখছেন এই গর্বিত পিতা।