রাজধানীর ফিলিং স্টেশনে তেল আছে, নেই সেই দীর্ঘ লাইন
সংগৃহীত ছবি
গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টার লাইন নেই। গত প্রায় দেড় মাসের সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন সুনসান নীরবতা। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উধাও হয়ে গেছে উপচেপড়া ভিড়।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর মুগদা, রাজারবাগ, আরামবাগ, মৎস্য ভবন ও মতিঝিল এলাকার অন্তত আটটি ফিলিং স্টেশনে এমন চিত্রের দেখা মিলেছে।
দুপুর ১২টার দিকে মুগদায় শান্ত সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার জন্য মাত্র দুটি মোটরসাইকেল অপেক্ষায় ছিল।
স্টেশনটির কর্মীরা জানান, গত রবিবার থেকেই তারা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করছেন। সোমবার বিকাল থেকে ভিড় কমতে শুরু করে। গতকাল মঙ্গলবার ও আজ বুধবার এই স্টেশনে বড় কোনো ভিড় হয়নি।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মতিঝিলের মেসার্স পূবালী ফিলিং স্টেশন এবং করিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে কোনো মোটরসাইকেলের দেখা মেলেনি। কিছু সময় পরপর দু-একটি গাড়ি এলেও পরক্ষণেই আবার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছিল পাম্প।
দৈনিক বাংলার নাভানা সিএনজি স্টেশনে দুপুর পৌনে ১টার দিকে মোটরসাইকেলের লাইন দেখা যায়নি। তবে স্টেশনটিতে বেশ কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি (প্রাইভেটকার) তেল নিতে অপেক্ষায় ছিল।
আরামবাগের মেসার্স এইচ কে ফিলিং স্টেশনে দুপুর পৌনে ২টার দিকে মাত্র ৩-৪টি মোটরসাইকেল দেখা যায়। দুপুর আড়াইটার দিকে শহীদবাগের রাজারবাগ ফিলিং স্টেশনেও কোনো প্রকার জটলা ছিল না।
সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রমনা ফিলিং স্টেশনে কোনো মোটরসাইকেলের দেখা মেলেনি। মাত্র দুইটি প্রাইভেটকার ছিল।