সকালের নাশতা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

সকালের নাশতা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ছবি: সংগৃহীত

দিনের শুরুটা কেমন হবে, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। পুষ্টিবিদদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই সকালের নাশতা করা উচিত।

সাধারণভাবে সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে নাশতা সম্পন্ন করা সবচেয়ে উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পায় এবং বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) সক্রিয় হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত সকালের নাশতা খান, তারা সারাদিন অতিরিক্ত ক্ষুধা অনুভব করেন না এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কম থাকে। পাশাপাশি মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সকালের নাশতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সকালের নাশতায় কী কী খাওয়া যেতে পারে?

বাংলাদেশি খাবারের মধ্যেই স্বাস্থ্যকর নাশতার অনেক বিকল্প রয়েছে। যেমন—

  • আটার রুটি ও সবজি
  • ডিম (সিদ্ধ, পোচ বা অমলেট)
  • ডাল ও রুটি
  • চিড়া, দুধ ও কলা
  • ওটস বা লাল আটার পোরিজ
  • মৌসুমি ফলের সালাদ
  • সবজি খিচুড়ি
  • ছোলা, শসা ও সালাদ
  • পাউরুটির সঙ্গে ডিম ও সবজি স্যান্ডউইচ

যেসব খাবার সীমিত রাখা ভালো

  • অতিরিক্ত তেলেভাজা পরোটা
  • মিষ্টি পেস্ট্রি ও কেক
  • অতিরিক্ত চিনিযুক্ত সিরিয়াল
  • কোমল পানীয় ও প্রসেসড খাবার

পুষ্টিবিদরা বলছেন, একটি আদর্শ সকালের নাশতায় শর্করা, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও আঁশের সুষম সমন্বয় থাকা উচিত। তাই শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, বরং শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতেই দিনের শুরুতে স্বাস্থ্যকর নাশতার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।