জীবাশ্ম জ্বালানি চালিত গাড়ি আমদানিতে কর বৃদ্ধি
ফাইল ছবি
পরিবেশদূষণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক গাড়ি আমদানিতে করভার বাড়ানো এবং দেশে ইলেকট্রিক যান (ইভি) উৎপাদনে ব্যাপক শুল্ক-কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল চালিত গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহ করতে ১২০০ থেকে ১৬০০ সিসি ক্ষমতার ইন্টারনাল কম্বাশন (আইসি) ইঞ্জিনবিশিষ্ট আমদানীকৃত গাড়ির ওপর বিদ্যমান মোট করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫.৮৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে।
তবে অন্যান্য শ্রেণির গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন এবং এর যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরির লক্ষ্যে নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশেষ শুল্ক-কর সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত সুবিধার আওতায়, যেসব প্রতিষ্ঠান চার চাকা ও তিন চাকার বৈদ্যুতিক যানবাহনের বডি নির্মাণ, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং ও অ্যাসেম্বলিং সম্পন্ন করে স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চ মূল্য সংযোজন করবে, তারা উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া সব ধরনের শুল্ক ও কর থেকে অব্যাহতি পাবে। অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান কেবল যন্ত্রাংশ সংযোজন ও পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্য সংযোজন করবে, তাদের জন্য ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্যান্য সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অগ্রিম ভ্যাট ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, ইলেকট্রিক যানবাহন শিল্পের বিকাশে দেওয়া এসব রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩১ পর্যন্ত বহাল থাকবে।