পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে জবাবদিহিমূলক বাজেট দাবি

পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে জবাবদিহিমূলক বাজেট দাবি

সংগৃহীত

পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও কার্যকর বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এর সুফল পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি নয়, বরং পরিকল্পিত ও স্বচ্ছ ব্যয় নিশ্চিত করা জরুরি।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘পরিবেশ ও জলবায়ু খাত : ২০২৬-২৭ বাজেট বিশ্লেষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তারা।

বাপার সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপার সদস্য ফারহান হোসেন জয়।

তিনি বলেন, বাজেট একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন দর্শন ও সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন। যেই রাজনৈতিক দল বালু উত্তোলনকে উৎসাহিত করে, সেই দলের সরকার নদী ড্রেজিংয়ের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট দেয়, তা জনগণের কাছে দ্বিমুখী আচরণ বলে মনে হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ প্রায় ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কঠোর জবাবদিহি ছাড়া বরাদ্দ কার্যকর হবে না।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, আমলানির্ভর বাজেট প্রণয়ন এবং অর্থবছরের শেষ দিকে তড়িঘড়ি করে অর্থ ব্যয়ের সংস্কৃতি দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে। পরিবেশ খাতের বাজেট প্রণয়নের আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া এবং বরাদ্দকৃত অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।