চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি: চসিক মেয়র

চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি: চসিক মেয়র

ফাইল ছবি

 

চলতি বছরে নগরীতে এখন পর্যন্ত ১৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরবাসীকে বাসাবাড়ি, ছাদ, টব, এসির ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। নগরীর ৮টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আধুনিক বিটিআই প্রযুক্তি ও কার্যকর লার্ভানাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

রবিবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশু মায়ের দুধ থেকেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ পেয়ে থাকে।

এছাড়া গত চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে যারা ভিটামিন ‘এ’ গ্রহণ করেছে, তাদের পুনরায় ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না। নিয়মিত কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ টিমের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে। অভিভাবকদের নির্ধারিত নির্দেশনা মেনে শিশুদের ক্যাম্পেইনে নিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইমাম হোসেন রানা।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিসেফ চট্টগ্রাম বিভাগের চিফ ফিল্ড অফিসার মিসেস মাধুরী ব্যানার্জী, চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হোসনে আরা বেগম ও ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ইউনিসেফ চট্টগ্রাম বিভাগের নিউট্রিশন অফিসার ডা. উবা সুই চৌধুরী, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।