শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে অসুস্থ ১১ শিক্ষার্থী

শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে অসুস্থ ১১ শিক্ষার্থী

সংগৃহীত ছবি

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সেদ্ধ ডিম খাওয়ার পর ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ নম্বর পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর সবাই সুস্থ রয়েছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিমের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ডিম সেদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের পরিবেশন করা হয়। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেলেও তাদের কেউ অসুস্থ হয়নি। তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন ছাত্রী ডিম খাওয়ার পর পেটব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব করলে দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন, ডিম খাওয়ার পর ১১ শিক্ষার্থী পেটব্যথা ও অস্বস্তির অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালে আসে। চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এরপরও পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওসাকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে। অন্য কোনো বিদ্যালয় থেকে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। একটি বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী কেন অসুস্থ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে এবং তাদের মধ্যে কোনো অসুস্থতার ঘটনা ঘটেনি। তারপরও পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক সময় একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্যদের মধ্যেও মানসিক প্রভাব থেকে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে