তান্ত্রিকের এক ভবিষ্যদ্বাণীতেই কাঁপছে ফুটবল বিশ্ব
নানা কাওয়াকু বোনসাম ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে হ্যারি কেইনকে থামাতে পারেনি কোনো ডিফেন্ডার। তার ওপর কি ভর করেছিল অদৃশ্য কোনো শক্তি? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবল দুনিয়ায়। ইংল্যান্ডের অধিনায়ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে রহস্যময় গল্প।
ম্যাচের আগেই ঘানার স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক নেতা নানা কাওয়াকু বোনসাম ঘোষণা দিয়েছিলেন, কালো জাদু দিয়েই থামিয়ে দেবেন কেইনকে। এরপর যা ঘটল, তাতে অনেকের কাছেই বিষয়টি নিছক কাকতালীয় বলেও মনে হচ্ছে না।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল, পানামার বিপক্ষে আরেক গোল। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সেই হ্যারি কেইনই ঘানার বিপক্ষে যেন নিজেকে হারিয়ে ফেললেন। গোল তো দূরের কথা, নিজের ছায়াও মনে হয়নি ইংল্যান্ডের এই গোল মেশিনকে। ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড শিবিরেও মজা করে কালো জাদুর প্রসঙ্গ ওঠে। আর ঠিক তখনই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন বোনসাম।
কিন্তু গল্পের মোড় ঘুরে যায় আরও নাটকীয়ভাবে। বোনসাম দাবি করেন, তিনি নাকি কেইনের ওপর থেকে সেই কথিত অভিশাপ তুলে নিয়েছেন। আর পরের ম্যাচেই রাউন্ড অব ৩২-এ ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে একাই ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোয় তুলে দেন কেইন। যেন কয়েক দিনের ব্যবধানে গোলহীন এক রাত থেকে আবারও বিশ্বকাপের নায়কে ফিরে আসা। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটাই প্রশ্ন নিছক কাকতালীয়, নাকি অন্য কিছু?
কেইনের অধ্যায় কি তাহলে ছিল কেবল শুরু?
এবার সেই একই নানা কাওয়াকু বোনসাম-এর চোখ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় দুই মহাতারকার দিকে। তার দাবি, কাবো ভার্দের কাছেই থেমে যাবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান। আর যে ট্রফির জন্য যুগের পর যুগ অপেক্ষা, সেটি নাকি এবার উঠবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে।
যদি কেইনকে নিয়ে তার দাবি কাকতালীয়ভাবে মিলে গিয়ে থাকে, তাহলে কি এবার সত্যিই শঙ্কায় মেসিরা? নাকি সবই বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত মনস্তাত্ত্বিক খেলা? উত্তর মিলবে মাঠেই। তবে এরই মধ্যে বোনসাম এর এই দাবিগুলো ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আগুন জ্বেলে দিয়েছে।