সিনেমার গল্পকেও হার মানায় হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী

সিনেমার গল্পকেও হার মানায় হ্যারি কেইনের প্রেমকাহিনী

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কঙ্গোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোতে তুলেছেন হ্যারি কেইন। মাঠে তার দুর্দান্তপারফরম্যান্সের পাশাপাশি নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার ব্যক্তিগত জীবনের সুন্দর প্রেমের গল্প।

কেইন ও কেটি গুডল্যান্ডের পরিচয় হয়েছিল ছোটবেলায়, পূর্ব লন্ডনের লার্কসউড প্রাইমারি স্কুলে। তখন থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু।পরে একই স্কুলে পড়াশোনার সময় সেই বন্ধুত্ব আরও গভীর হয় এবং ২০১২ সালে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান।

স্কুলজীবনের একটি স্মৃতিও বেশ আলোচিত। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ডেভিড বেকহ্যাম তাদের স্কুলে গেলে কেইন ওকেটির সঙ্গে একটি ছবিও তুলেছিলেন। সেই সময় কেউ ভাবেনি, এই দুই কিশোর-কিশোরীর গল্প একদিন বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়হবে।

কেইন একাধিকবার বলেছেন, খ্যাতি পাওয়ার পর সত্যিকারের মানুষকে চিনে রাখা কঠিন হয়ে যায়। তাই ছোটবেলার ভালোবাসাকেইজীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়াকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য মনে করেন। তার ভাষায়, কেটি শুরু থেকেই তার জীবনের প্রতিটি ধাপখুব কাছ থেকে দেখেছেন।

কেটি গুডল্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্সে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে একজন ফিটনেস কোচ হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৭ সালে বাহামাসেছুটি কাটানোর সময় তাদের বাগদান হয়। এরপর ২০১৯ সালে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বর্তমানে এই দম্পতির চার সন্তান রয়েছে। ব্যস্ত ফুটবল ক্যারিয়ারের মধ্যেও পরিবারকে সবসময় অগ্রাধিকার দেন কেইন। তিনি বিশ্বাসকরেন, স্ত্রী ও পরিবারের সমর্থনই তাকে মানসিকভাবে শক্ত রাখে এবং মাঠে নিজের সেরাটা দিতে সাহায্য করে।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাফল্যের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন হ্যারি। তবে মাঠের বাইরের তার দীর্ঘদিনের প্রেম, পারস্পরিক বিশ্বাসএবং পারিবারিক বন্ধনও অনেকের কাছে সমান অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।