জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের এলডিপি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
জবি ক্যারিয়ার ক্লাবের এলডিপি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত//ছবিঃ সংগৃহীত।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের (জেএনইউসিসি) লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এলডিপি) ২০২৬-এর নতুন সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে এ ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের মডারেটর শফিকুল আলম, প্রেসিডেন্সিয়াল প্যানেলের সদস্য, ক্লাবের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ক্লাবের অ্যালামনাইরা। আকিজ গ্রুপ, কাজী অ্যান্ড কাজী টি, টপারস একাডেমি, বার্জার পেইন্টসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অ্যালামনাইরা ক্লাবিংয়ের অভিজ্ঞতা এবং কর্পোরেট জীবনে এর ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরেন। পাশাপাশি কর্পোরেট, ব্যাংকিং ও সিভিল সেক্টরে ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং নবীন সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
ক্লাবের সভাপতি একেএম তামীম রাহমান বলেন, "দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে প্রস্তুত করাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের মূল লক্ষ্য। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে ক্লাবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং শিক্ষা ও কর্মজীবনের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।"
সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী রাশা রাতুল বলেন, "এলডিপি হলো ক্লাবের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন টিমে কাজের সুযোগ এবং এক বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারবেন। গত বছর নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ক্যারিয়ার ক্লাব ৪৫টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সফলভাবে জব ফেয়ারের আয়োজন করেছে। ক্লাবিং শিক্ষার্থীদের সুপ্ত দক্ষতা বিকাশের সুযোগ করে দেয়।"
ক্লাবের মডারেটর শফিকুল আলম বলেন, "ক্যারিয়ার গঠন করা শিক্ষার্থীর নিজের দায়িত্ব। ক্যারিয়ার ক্লাব বিভিন্ন সেশন, ইভেন্ট ও প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ তৈরি করে দেয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
উল্লেখ্য, লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এলডিপি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম। এ বছর অসংখ্য আবেদনকারীর মধ্য থেকে বিভিন্ন ধাপে বাছাই করে ১০০ জন শিক্ষার্থীকে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক বছরব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় নেতৃত্ব উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা হবে।