আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া
ছবিঃ সংগৃহীত।
ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচকে ঘিরে বিতর্ক এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া। প্রতিবেদনে ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের অভিযোগ, অনলাইন প্রতিক্রিয়া এবং বিতর্কের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ার এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) দলের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ সময় "Fifanic" শব্দটি ব্যবহার করে নানা মিম ও পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
দাবা কিংবদন্তি গ্যারি কাসপারভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে অভিযোগ করেন, মিশরের একটি গোল দূরের একটি ফাউলের কারণে বাতিল করা হলেও, একই ধরনের পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনার একটি গোল বহাল রাখা হয় এবং তা ভিএআরে পুনরায় পর্যালোচনা করা হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফিফার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মিশরের কোচ হোসাম হাসানও রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার দাবি, তাদের একটি পেনাল্টি দেওয়া হয়নি এবং একটি গোল বাতিলের কারণও স্পষ্ট করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচ দেখার আগ্রহ হারিয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ব্যবহারকারী অর্থ ওড়ানোর প্রতীকী ভিডিও পোস্ট করেন এবং জনপ্রিয় চলচ্চিত্র টাইটানিক-এর পোস্টার সম্পাদনা করে সেখানে লিওনেল মেসি ও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ছবি সংযোজন করেন।
এ ছাড়া, রাশিয়া টুডে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গচিত্রও অনলাইনে আলোচনায় আসে। অন্যদিকে, মিশরের সমর্থকদের একটি অংশের দাবি ছিল, ম্যাচে রেফারিংয়ের সিদ্ধান্ত তাদের দলের বিপক্ষে গেছে।
দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া–এর প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হানি আবো রিদা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।