তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন তদন্তের নির্দেশ

তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন তদন্তের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেনে কারসাজির সন্দেহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত কার্যক্রম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

কোম্পানিগুলো হলো এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেড, জিয়াল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেড এবং মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিএসইসির সার্ভেইল্যান্স বিভাগ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কাছে পাঠানো পৃথক তিনটি চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে ডিএসইকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, তিনটি কোম্পানির শেয়ারে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি ও লেনদেনের ধরণ পর্যবেক্ষণের পর বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই কমিশন ডিএসইকে নির্ধারিত কর্মপরিধি (টার্মস অব রেফারেন্স) অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। 

তদন্তে সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলোর লেনদেনে কোনো সমন্বিত বা কৃত্রিম কারসাজি হয়েছে কি না, অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (ইউপিএসআই) ব্যবহার করে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের ঘটনা ঘটেছে কি না এবং মার্জিন ঋণসংক্রান্ত বিধি, কমিশনের বিভিন্ন নির্দেশনা ও প্রজ্ঞাপন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা এবং সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন বা অন্য কোনো অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় থাকবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তদন্তের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর অনুমোদিত প্রতিনিধি (এআর), কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) সন্দেহজনক লেনদেন বিষয়ে প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করা যায়।

এপেক্স উইভিং ও জিয়াল বাংলা সুগার মিলসের ক্ষেত্রে তদন্তে বিশেষভাবে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড এবং আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া, মালেক স্পিনিং ও জিয়াল বাংলা সুগার মিলসের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহের জন্য চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।