সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক যাতে উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সারাদেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারিদের মধ্যে ধানবীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণ এবং গবাদিপশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন এলাকার কাছাকাছি এসব মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হবে। এতে কৃষকরা অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় ছাড়াই কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং বাজারে অনুকূল সময়ে ভালো দামে বিক্রির সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, বন্যার পর গবাদিপশুর মধ্যে খুরা রোগসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। তাই আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি টিকার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধানবীজ ও চারা সরবরাহ করা হবে, যাতে তারা দ্রুত চাষাবাদে ফিরতে পারেন।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের দ্রুত বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। আর যেসব জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে, সেখানে সরকারি উদ্যোগে অন্য কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। এসব বীজতলায় উৎপাদিত চারা ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এ সহায়তা আরও বাড়ানো হবে। এছাড়া বন্যায় মাছ চাষে কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে জরিপ শেষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।