স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে প্রিন্সের আহ্বান

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে প্রিন্সের আহ্বান

সংগৃহীত ছবি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

শনিবার হাঙ্গার প্রজেক্ট ও বিকশিত নারীর উদ্যোগে ‌‌‌‌‌‌‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর প্রতিনিধিত্ব, প্রত্যাশা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ময়মনসিংহ নগরীর একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিকশিত নারী ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি লুৎফুন্নাহার।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‌নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করতে নারীর সক্রিয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। স্থানীয় সরকার জনগণের সবচেয়ে নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানেই নারীর নেতৃত্ব বিকাশের সবচেয়ে বড় সুযোগ রয়েছে। যোগ্য, সৎ ও জনসম্পৃক্ত নারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী,  জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবদুল করিম, কন্যা শিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিব্বির আহমেদ লিটন, ময়মনসিংহ মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা পারভীন, সাংবাদিক নিয়ামুল কবীর সজল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গণমুখী করতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা যাতে ভয় ও প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি যোগ্য নারী নেতৃত্ব বিকাশে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যকর ভূমিকা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।