মানারাত ইউনিভার্সিটিতে আইন ও ফার্মেসি বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত
উৎসবমুখর পরিবেশে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন ও ফার্মেসি বিভাগের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের প্রফেসর ইমেরিটাস এবং মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যতম সদস্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিবেশবিজ্ঞানী ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ছাত্র হলেই চলবে না, ভালো মানুষও হতে হবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে না পারলে শুধু ভালো ফলাফলের কোনো মূল্য নেই। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একদিন শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। তিনি বলেন, যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয় সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রব বলেন, ‘A Centre of Academic and Moral Excellence’ স্লোগানকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি নৈতিক মূল্যবোধসমৃদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রেজিস্ট্রার এ. এইচ. এম. আবু সাঈদের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন ট্রেজারার মো. মনিরুল ইসলাম, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মনিরা আহসান এবং আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আব্দুল্লাহ হিল গণি।
ডেপুটি রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, নৈতিক মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা এবং শুভকামনা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষ হয়।