মেলানিয়া ট্রাম্পকে হত্যার ইঙ্গিত?

মেলানিয়া ট্রাম্পকে হত্যার ইঙ্গিত?

ছবি ; রয়র্টাস

ইরানের সঙ্গে যুক্ত একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিতর্কিত ভিডিওকে কেন্দ্র করে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের নিয়মিত যাতায়াতের বিভিন্ন স্থান চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি সামনে আসার পর মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সতর্কতা আরো বেড়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা।

ইরানের সংবাদ সংস্থা 'তাসনিম' প্রকাশিত ওই ভিডিওতে মেলানিয়া ট্রাম্পের কেনাকাটার জন্য নিয়মিত যাওয়া নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মিডটাউনের একাধিক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে তার সফরের আগে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থারও বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওর একটি অংশে দাবি করা হয়, সম্ভাব্য কোনো ‘অপারেশন’ পরিচালনার জন্য এসব স্থান উপযোগী হতে পারে।

ভিডিওতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে মেলানিয়া ট্রাম্পের তিন ব্যক্তিগত স্টাইলিস্টের নাম। সেখানে দাবি করা হয়, অর্থের বিনিময়ে তাদের ব্যবহার করে ফার্স্ট লেডির পোশাকে বিষ প্রয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ভিডিওর শেষাংশে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বার্তাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, 'এটা কেবল শুরু, ব্যারন ট্রাম্প আমাদের জন্য অপেক্ষা করো।

' ব্যারন ওয়াশিংটনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

তাসনিমকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভিডিওতে ট্রাম্প পরিবারের চলাফেরা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করায় বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইর লিখিত বার্তাতেও প্রতিশোধের হুঁশিয়ারির উল্লেখ ছিল।

সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় নতুন এই ভিডিও প্রকাশ পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে।

এদিকে, গত সপ্তাহে তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ারে একটি বড় বিলবোর্ডও আলোচনায় আসে। সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেলানিয়া ট্রাম্প, তাদের সন্তান ইভাঙ্কা, টিফানি, ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক ট্রাম্প এবং ব্যারন ট্রাম্পের ছবি ব্যবহার করে ‘রক্তের বদলে রক্ত’ লেখা প্রদর্শন করা হয়। ওই ঘটনার পর এবার নতুন ভিডিও প্রকাশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরাপত্তা উদ্বেগ ব্যারন ওয়াশিংটনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তীব্র হয়েছে।