প্রকল্পের ফলাফল মূল্যায়নে আগস্টে ঢাকায় আসছে বিশ্বব্যাংকের দুই প্রতিনিধিদল

প্রকল্পের ফলাফল মূল্যায়নে আগস্টে ঢাকায় আসছে বিশ্বব্যাংকের দুই প্রতিনিধিদল

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সুশাসন, সরকারি ক্রয় ও জবাবদিহি পর্যালোচনার পাশাপাশি একটি বড় সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পের ফলাফল মূল্যায়নে আগামী আগস্টে ঢাকায় আসছে বিশ্বব্যাংকের দুটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ৯ থেকে ১৩ আগস্ট গভর্ন্যান্স গ্লোবাল প্র্যাকটিসের একটি প্রতিনিধিদল এবং ৯ থেকে ১৬ আগস্ট রেজিলিয়েন্স, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট (রেলি) প্রকল্পের লার্নিং অ্যান্ড রেজাল্টস নোট মিশন বাংলাদেশ সফর করবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের অপারেশনস ম্যানেজার গেইল এইচ মার্টিন পৃথক দুটি চিঠিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকীকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন।

গভর্ন্যান্স গ্লোবাল প্র্যাকটিসের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্র্যাকটিস ম্যানেজার হিশাম আহমেদ ওয়ালি এবং সিনিয়র অপারেশনস অফিসার আলেকসান্দার কোচেভস্কি। সফরকালে তারা অর্থ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিট (পিআইইউ) এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এসব বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, ফিডিউশিয়ারি ও নন-ফিডিউশিয়ারি বিষয়, জবাবদিহি এবং চলমান সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে রেলি প্রকল্পের মূল্যায়ন মিশনের নেতৃত্ব দেবেন টাস্ক টিম লিডার ও সিনিয়র এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট সামিনা ইয়াসমিন। তার সঙ্গে কৃষি, অর্থনীতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, পরিবেশ, সামাজিক উন্নয়ন, প্রকল্প মূল্যায়ন এবং রেজিলিয়েন্স সূচক বিশ্লেষণের বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) একজন বিশেষজ্ঞও মিশনে অংশ নেবেন।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই মিশনের লক্ষ্য হলো রেলি প্রকল্পের ফলাফল, উন্নয়নগত প্রভাব, আর্থিক ও অর্থনৈতিক দক্ষতা মূল্যায়নের পাশাপাশি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, সফলতা এবং উত্তম চর্চা নথিভুক্ত করা। এজন্য প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হবে।

প্রতিনিধিদলটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি), বাস্তবায়নকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগস্টে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই দুটি মিশনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক একদিকে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সুশাসন, আর্থিক শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি পর্যালোচনা করবে, অন্যদিকে রেলি প্রকল্পের বাস্তব ফলাফল ও উন্নয়নগত প্রভাব মূল্যায়ন করবে। তাদের মতে, এসব মূল্যায়নের সুপারিশ ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নের মানোন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সৌজন্যে: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড