স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
সংগৃহীত ছবি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের মধ্যে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চিকিৎসাক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, কম্বোডিয়ার রোগীরা আগে থাইল্যান্ড যেত। এখন তারা মালয়েশিয়া যায়। কারণ, মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার বিভিন্ন খরচ ও ওষুধের দাম নির্ধারিত থাকে এবং তা অন্য দেশের তুলনায় কম।
বাংলাদেশের রোগীদের চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া একটি ভালো গন্তব্য হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল’র মাধ্যমে আগ্রহী বাংলাদেশিরা যে কোনো প্রয়োজনীয় সেবা ও সহযোগিতা পেতে পারেন।
মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে মালয়েশিয়ায় কিডনি, লিভার ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের মতো জটিল চিকিৎসা বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ সময় স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগে কাজ করা এবং একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমানে কিছু মালয়েশীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশে এমবিবিএস, এমডিএস এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের যে কোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
হাইকমিশনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানালে মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাকায় মালয়েশিয়া হাইকমিশন ও মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের কর্মকর্তা, তাদের বাংলাদেশি অংশীদার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।