যশোর শিক্ষা বোর্ডের শতভাগ ফেল করা ১১ বিদ্যালয়কে শোকজ
ফাইল ছবি
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের শতভাগ ফেল করা ১১ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে রোববার শোকজ করা হয়েছে। পাঁচ কর্মদিবসে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী। গত ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফলে জানানো হয় শতভাগ ফেল করা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, যশোর শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১১ স্কুলে শতভাগ ফেল করেছে। শতভাগ ফেল করা ১১ স্কুলের মধ্যে রয়েছে মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (পরীক্ষার্থী ১ জন) ও চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (৩ জন), শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (২ জন) ও মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (১ জন); সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (৭ জন), আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন)।
এছাড়াও শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন); খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) ও খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে (২ জন) পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করে। শতভাগ ফেল করা স্কুলের জন্য যশোর শিক্ষাবোর্ডের ক্ষুন্ন হয়েছে। সেইসাথে কেন শতভাগ ফেল করলো তার কারণ অনুসন্ধান করার জন্য ওইসব স্কুলের প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী বলেন, ১১ স্কুলে শতভাগ ফেল করেছে এটা শিক্ষাবোর্ডে সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। সেইজন ১১ স্কুলের প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব দেয়ার পর এসব বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফেল করার কারন খুঁজে বের করতে কমিটিও গঠন করা হবে।